প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৭ এএম (ভিজিট : ০)

X
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ছড়িয়ে পড়া বর্তমান ইবোলা প্রাদুর্ভাবটি ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক রূপ নিতে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক।
সংস্থাটির মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস জানান, ২০২৬ সালের এই প্রাদুর্ভাব যেভাবে ছড়াচ্ছে, তা ২০১৪-২০১৬ সালের প্রাদুর্ভাবকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে, যে সময় প্রায় ১১ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।
চলতি বছরের ১৫ মে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাদুর্ভাবের ঘোষণা দেওয়া হলেও স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মূলত ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই এটি ছড়াতে শুরু করেছিল।
শুরুতে সাধারণ ম্যালেরিয়া বা টাইফয়েড মনে করে ভুল চিকিৎসা করায় ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ রোগে এখন পর্যন্ত ৪,৩০০ জনেরও বেশি আক্রান্ত এবং ২,০০০ মানুষের মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে। বর্তমানে ইবোলার বিরল ‘বুন্দিবুগিও’ প্রজাতির মাধ্যমে এই সংক্রমণ ঘটছে, যার জন্য অনুমোদিত কোনো ভ্যাকসিন বা স্বীকৃত ওষুধ এখনো বাজারে নেই। কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাতের কারণে স্বাস্থ্যকর্মীরা মাত্র ৩০ শতাংশ আক্রান্ত মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারছেন।
এতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আফ্রিকা বিষয়ক পরিচালক ড. মোহাম্মদ জানাবি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে আশার কথা হলো, বৃটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবিত এই বিরল প্রজাতির ইবোলা টিকার মানব শরীরে প্রথম পরীক্ষা (হিউম্যান ট্রায়াল)-এর অনুমোদন দিয়েছে দেশটির ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এছাড়া কঙ্গোতে বিদ্যমান দুটি অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের কার্যকারিতা যাচাইয়ে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করেছে ডব্লিউএইচও।