প্রকাশ: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:০০ পিএম (ভিজিট : ০)

X
টুঙ্গিপাড়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উপজেলার গিমাডাঙ্গা আজিমবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন—মো. মোরসালিন (১৭), পিতা মৃত মোহাম্মদ সলিমুল্লাহ শেখ; মোহাম্মদ রাকিব মোল্লা (২০), পিতা মান্নান মোল্লা; তামিম শেখ (১৫), পিতা হানিফ শেখ; আবির শেখ (১৮), পিতা আবুল হাসান শেখ এবং মো. রইছ মোল্লা (১৮), পিতা মো. ফয়জুর আলী মোল্লা।
স্থানীয় ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, গিমাডাঙ্গা মুন্সির চর ও উত্তরপাড়ার মধ্যে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই উত্তেজনা চলছিল। এরই জেরে শুক্রবার রাতে আজিমবাজার এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। আহতদের পক্ষের অভিযোগ, প্রতিপক্ষের প্রায় ৫০ জনের একটি দল তাদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে পাঁচজন আহত হন।
আহতদের পক্ষ থেকে হামলার নেতৃত্বে মশিউর, নাহিদ, ইয়ামিন হোসেন (পাম্পু) ও রহিম নামে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
এদিকে অভিযুক্ত ইয়ামিন হোসেন পাম্পু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ১৪ আগস্ট ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে আগে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছিল। তিনি দাবি করেন, গজালিয়া ব্রিজের ওপর একজনকে তিনি একটি থাপ্পড় মেরেছিলেন। পরে বিষয়টি নিয়ে বড় ভাইদের মাধ্যমে ক্ষমা চেয়ে মীমাংসা হয়ে যায়। এরপর সন্ধ্যার পর ওই পক্ষের লোকজন আজিমবাজারে এসে তাকে মারতে গেলে তিনি আত্মরক্ষার্থে একজনকে শুধু একটি ঘুষি মারেন। তার দাবি, এ ঘটনায় তার সঙ্গে অন্য কেউ ছিল না এবং বড় ধরনের কোনো মারামারিও হয়নি।
ঘটনার বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী বলেন, আজিমবাজারের মারামারির ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।