বিবর্তনের বিস্ময়ে আজব আবিষ্কার: ১৩০৬ পায়ের এক প্রাণী

অনলাইন ডেস্ক

কর্পোরেট

বহু পা থাকা প্রাণীগুলিকে মিলিপিড বলা হতো বটে। তবে সেটা কিছুটা অতিরঞ্জন। এখনও পর্যন্ত এমন কোনও মিলিপিড মেলনি

2022-03-08T13:56:59+00:00
2022-03-08T13:56:59+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
বিবর্তনের বিস্ময়ে আজব আবিষ্কার: ১৩০৬ পায়ের এক প্রাণী
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৮ মার্চ, ২০২২, ১:৫৬ পিএম   (ভিজিট : ৪৮৮)
X


বহু পা থাকা প্রাণীগুলিকে মিলিপিড বলা হতো বটে। তবে সেটা কিছুটা অতিরঞ্জন। এখনও পর্যন্ত এমন কোনও মিলিপিড মেলনি যার ৭৫০ টির বেশি পা ছিল। সোনার খোঁজে অস্ট্রেলিয়ার খনিতে খনন কাজ চালাচ্ছিল একদল বিজ্ঞানী। এসময় তাদের নজরে আসে অন্য কিছু। যা দেখে চক্ষু চড়কগাছ তাদের। অদ্ভুত এক প্রাণির দেখা মেলে খনিতে। যার রয়েছে ১৩০৬টি পা। অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবে এমন প্রাণির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। সোনার খোঁজে অনেক গভীর পর্যন্ত খনন কার্য চালানো হয়েছিল খনিতে। তখনই এমন আজব প্রাণীর সন্ধান পাওয়া যায়। এর আগে এত সংখ্যক পা-যুক্ত কোনো প্রাণী আবিষ্কার হয়নি।বিজ্ঞানীরাও এই আবিষ্কারকে বলছেন, ‘বিবর্তনের বিস্ময়’। অস্ট্রেলিয়ার খনি থেকে আবিষ্কৃত ওই প্রাণী নজর কেড়েছে বিশ্বের।

মিলিপিড-এর আক্ষরিত অর্থ 'হাজার পা'। কিন্তু এখনও পর্যন্ত, কোনও মিলিপিডের হাজারটি পা মেলেনি। প্রাণিটির আকার-আকৃতি অনেকটা সুতার মতো ফ্যাকাশে রঙের এবং বহুপদ বিশিষ্ট। বিজ্ঞানীরা বলছেন এই প্রাণী কেঁচো প্রজাতির। তবে সাধারণ কেঁচোর পা থাকে ১০০ থেকে ২০০টি। এর থেকে একটু বেশি সংখ্যক পা থাকে সেন্টিপেডসদের। যে মিলিপেডসের পায়ের সংখ্যা ১৩০৬টি সেই প্রাণীটি ৩-১/২ ইঞ্চি অর্থাৎ ৯৫ মিলিমিটার লম্বা এবং এক ইঞ্চির চারশ ভাগের একভাগ চওড়া, এক্ষেত্রে ০.৯৫ মিলিমিটার।

এদের ক্ষেত্রে ৩৮২টি পর্যন্ত পায়ের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। সেন্টিপেডসদের ক্ষেত্রে শরীরে একটি সেগমেন্ট ভাগে একজোড়া পা থাকে। এছাড়াও এই প্রাণীর গঠনে রয়েছে শঙ্কু আকৃতির মাথা, চঞ্চুর মতো মুখ এবং একটি লার্জ অ্যান্টেনা। তবে এতো বেশি সংখ্যক পা-যুক্ত মিলিপেডস এর আগে খুঁজে পাননি বিজ্ঞানীরা।

সবচেয়ে বেশি পা ছিল ক্যালিফোর্নিয়ার Illacme plenipes-এর। তার সর্বোচ্চ ৭৫০টি পা ছিল। অন্যদিকে নয়া আবিষ্কৃত Eumillipedes persephone, অর্থাৎ 'true millipede persephone,'-এর পায়ের সংখ্যা ১,৩০৬টি। E. persephone নামটি রাখা হয়েছে গ্রীক পাতালের দেবীর নামে। এরা মাটির প্রায় ৬০০ মিটার গভীরতায় বেঁচে থাকতে পারে।

এই গবেষণার পুরোধা ছিলেন পল মারেক। অস্ট্রেলিয়ার ওই সোনার খনি থেকে মোট চারটি মিলিপেডস উদ্ধার হয়েছে। সবগুলোই উদ্ধার হয়েছে মৃত অবস্থায়। তার মধ্যে একটির ১৩০৬টি পা রয়েছে। বাকিগুলোর পায়ের সংখ্যা কম। চারটির মধ্যে দুটি পুরুষ এবং দুটি স্ত্রী প্রজাতির। ১৩০৬টি পা বিশিষ্ট প্রাণিটি ছিল স্ত্রী প্রজাতির। বাকি আরও একটি স্ত্রী প্রজাতির ক্ষেত্রে ৯৯৮টি পা লক্ষ্য করা গিয়েছে। বাকি দুই পুরুষ প্রাণির ৮১৮টি এবং ৭৭৮টি পা লক্ষ্য করা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, পুরুষদের তুলনায় স্ত্রী প্রজাতির পায়ের সংখ্যা বেশি হয়।

অস্ট্রেলিয়ায় মিলিপিডের ২,০০০ টিরও বেশি পরিচিত প্রজাতি রয়েছে। তবে এখনও মিলিপিডসের খোঁজে গবেষণার কণামাত্রই হয়নি। রদ্রিগেজের ধারণা, প্রজাতির প্রকৃত সংখ্যা ৪,০০০-এর মতো হতে পারে।





Loading...
Loading...


কর্পোরেট এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : bulletinadbd@gmail.com
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy