প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৩, ৫:১০ পিএম আপডেট: ০৫.০১.২০২৩ ৫:১২ পিএম (ভিজিট : ২৯৩)

X
বল সুন্দরী। নাম যেমন, দেখতে ঠিক তেমনই। কাঁচা অবস্থায় সবুজ। পাকলে সিঁদুর লাল। কমলা কিংবা হলুদ। দেখতে অনেকটা আপেলের মতো। তবে আকারে ছোট। দেখতে আকর্ষণীয়, স্বাদেও মজাদার। রসালো এই ফলের গন্ধও অতুলনীয়। তাই এর নাম বল সুন্দরী কুল । কম পরিশ্রম কম খরচ এক বছরে ফলন আসে। চাহিদা থাকায় লাভও বেশি তাই বল সুন্দরী চাষে আগ্রহ বাড়ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায়।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের আনোয়ারপুর, আজমপুর, রামধনগর, মনিয়ন্দ ইউনিয়নের ধর্মনগর, মোগড়া ইউনিয়নের বাউতলা ও ধাতুরপহেলা গ্রামে বল সুন্দরী চাষ হচ্ছে। সরজমিনে উপজেলার উত্তর ইউপির কৌড়াতলী এলাকার আব্দুল আউয়ালের বাগানে গিয়ে দেখা যায় চার-পাঁচ ফুট উচ্চতার এক-একটি গাছে থোকায় থোকায় ধরেছে কুল। তিনি ১ বিঘা জমিতে ১০০ টি গাছ রোপন করেছে। প্রতিটি গাছেই কুল ধরছে।
কৃষক আব্দুল আউয়াল বলেন, উপসহকারী কৃষি অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমানের পরামর্শে আমি বল সুন্দরী কুল চাষ করেছি। এই কুল চাষে আমার প্রায় ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিছুদিন আগে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে আমার বাগানের বেশ ক্ষতি হয়েছিল। এই ক্ষতি না হলে আমি প্রায় ২ লাখ টাকার কুল বিক্রি করতে পারতাম। তবুও সব মিলিয়ে এবার ৬০-৬৫ হাজার টাকার কুল বিক্রি করতে পারব বলে আশা করছি। আগামী বছর এত খরচও হবে না আর যদি কোন ক্ষয়ক্ষতির মুখে না পরি তা হলে আমার এ বাগান থেকে আরও অনেক বেশি লাভ হবে।
এ ব্যপারে আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম বলেন, উত্তর ইউনিয়নে কৃষক আব্দুল আউয়াল এই বল সুন্দরী কুল এবং আপেল কুলের বাগান করেছেন। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত বাগানটি দেখাশুনা করছি। এই মৌসুমে যখন বল সুন্দরী কুলে মুকুল এসেছিল ঠিক ওই সময়ে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।তবে কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয় না হলে আশা করেছি উনি দেড় লক্ষাধিক টাকার বড়ই বিক্রি করতে পারবেন। আমরা উনাকে সব ধরনের সহযোগিতা করছি।
বাবু/জেএম