প্রকাশ: বুধবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৩, ৪:৩৭ পিএম (ভিজিট : ২৯৪)

X
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ফসলি জমির উর্বর মাটি ও বালু উত্তোলনে ব্যবহার করা হচ্ছে অবৈধ ড্রেজার মেশিন। একদিকে চলছে গভীর গর্ত তৈরি, অন্যদিকে চলছে জলাশয় কিংবা ফসলি মাঠ ভরাট করে আবাসন নির্মাণ। উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের শান্তিপুর হাওড়া নদী সংলগ্ন এলাকায় ব্যবহৃত হচ্ছে এ মেশিন। কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মাটি কাটছে। ফলে জমির শ্রেণি পরিবর্তন হয়ে ফসলি জমি কমে যাচ্ছে। এ ছাড়া নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের শান্তিপুর হাওড়া নদীর বাঁধ সংলগ্ন জমি থেকে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার ফলে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অপরিকল্পিত ভাবে গভীর খনন করার কারনে হাওড়া নদীর বাঁধ রয়েছে হুমকির মুখে। মোঃ মোস্তাকিম নামে এক ব্যাক্তি স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ড্রেজার মেশিন স্থাপন করে মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রয় করে দিচ্ছে। মাটি পরিবহনের জন্য মাইলের পর মাইল পাইপ সংযোগ দিয়ে চলছে পকুর কিংবা অন্য ফসলি জমি ভরাটের কাজ। অবৈধ ড্রেজিংয়ের কারণে হাওড়া নদীর বাঁধ ভাঙ্গার আশংকা তৈরি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শাহানা বেগম আক্ষেপ করে বলেন, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের বোঝানো হয়- যেন কৃষিজমিকে অকৃষিতে পরিণত না করে।মাটি কাঁটার ফলে খুব দ্রুতই উর্বর জমিগুলো প্রাণহীন হয়ে যায়। উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান এই কর্মকর্তা। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অংগ্যজাই মারমা মুঠো ফোনে বাংলাদেশ বুলেটিনকে বলেন, ড্রেজার মেশিনে ফসলি জমির মাটি কাটার কোনো অনুমোদন নেই।কৃষি জমি কেটে নষ্ট করা যাবে না।আশেপাশে যদি বাঁধ বা এ জাতীয় কোনকিছু থাকে তাহলে কোন ভাবেই এখানে মাটি কাটা যাবে না। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রচলিত আইনের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব।
-বাবু/এ.এস