প্রকাশ: বুধবার, ১ মার্চ, ২০২৩, ৫:২৩ পিএম (ভিজিট : ২৬৭)

X
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান বলেন, বাঁকখালী নদীর পাশের কস্তুরাঘাট এলাকা সম্পূর্ণ ক্লিয়ার করাই আজকে আমাদের লক্ষ্য। কারণ এখনো অনেক কাজ বাকি। মূলত গতকাল যে বড় বড় স্থাপনার অংশ উচ্ছেদ করেছিলাম সেটা একদম স্কেভেটর দিয়ে ক্লিন করেই এ জায়গা বিআইডব্লিউটিএকে বুঝিয়ে দেয়া হবে।
বুধবার (১ মার্চ) সকাল থেকে নদীর কস্তোরাঘাট এলাকায় দ্বিতীয় দিনের মত উচ্ছেদ অভিযানে গিয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এসব কথা বলেন। এডিএম আবু সুফিয়ান জানান, আমরা এখানে বলেছি আগামী একসপ্তাহের মধ্যে সবার মালামাল সরিয়ে নিতে। যদি এক সপ্তাহের মধ্যে কোন মালামাল সরিয়ে না নিয়ে এইভাবে ফেলে রাখে তাহলে আইনানুগভাবে এসব মালামাল বাজিয়াপ্ত ঘোষণা করে সকল মালামাল সরকারি নিলামে দিয়ে দেয়া হবে।
আবু সুফিয়ান আরো জানান, মুলত গতকাল উচ্ছেদকালে যে সমস্ত ঘর বাড়িতে মালামাল এবং অনেকে ভাড়াটিয়ারা ছিলো তারা মানবিক কারণে আমাদের কাছে সময় চাইলে আমরা আজকে পর্যন্ত সময় দিয়েছিলাম। আমরা আজকে এসে দেখেছি তারা মূলত আমাদের কথা রেখেছে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রতিক্ষার পরে মহামান্য হাইকোর্টের আদেশে গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে নদীর কস্তুরাঘাটস্থ মোহনা থেকে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করেছিল কক্সবাজার জেলা প্রশাসন৷
দুইদিনে প্রায় সবমিলিয়ে ১৫০-২০০ একর মত জায়গা উচ্ছেদ শেষ করে ক্লিন করতে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন। উচ্ছেদ অভিযানে কক্সবাজার পৌরসভা, পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার, বনবিভাগ, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, কোষ্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ বিভাগ, আনসার বাহিনীর সদস্যরা, র্যাবের সদস্যগণ, স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগিতায় শুরু হওয়া এই উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান।
বাবু/জেএম