
জানা গেছে, কয়েকদিন আগে জ্বর ও খিচুনি নিয়ে হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছিলেন ফরিদা ইয়াসমীন। নিপাহ ভাইরাস পরীক্ষায় বুধবার (১ মার্চ) সকালে তার পজিটিভ রিপোর্ট আসে। তারপর ফরিদার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রেফার্ড করা হয় আইসিইউতে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
একই লক্ষণ নিয়ে নিপাহ সাসপেক্টেড ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন ফরিদা ইয়াসমীনের শাশুড়ি। তার শাশুড়ির বয়স ৫৫ বছর। এছাড়া দুই সপ্তাহ আগে একই লক্ষণ নিয়ে নিজ বাড়িতেই ওই গৃহবধূর শ্বশুরের মৃত্যু হয়।
নিপাহ ভাইরাসে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে এখন পর্যন্ত মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা প্রত্যেকেই খেজুরের রস পান করেছিলেন। প্রত্যেকেই জ্বরের মতো সাধারণ লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এরপর হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে তাদের। পরিবর্তীতে তাদের হাসপাতালের আইসিইউতে নিলে মৃত্যু হয়। তবে মৃতদের একজনের নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে মৃত্যুর পর।
রামেক হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. আজিজুল হককে তত্ত্বাবধায়ক করে বিশেষ টিম গঠন করে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। টিমের তত্ত্বাবধায়ক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. আজিজুল হক জানান, এ পর্যন্ত রামেক হাসপাতালে ছয়জনের নিপা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে একজনের মৃত্যুর পর শনাক্ত করা হয়েছে। আর যে পাঁচজনের বেঁচে থাকতেই শনাক্ত হয়েছিল, এর মধ্যে ১৪ বছর বয়সী শিশু বেঁচে আছে। সে ঢাকায় চিকিৎসা নিচ্ছে।
বাবু/এসআর