রায়পুরে ঝুঁকিপূর্ণ মাদরাসায় চলছে পাঠদান

মো. আজম, রায়পুর (লক্ষ্মীপুর)

সারাবাংলা

এক বছরেই শেষ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু গত তিন বছর আগে ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে মাটির নিচে বরিং

2023-03-06T15:55:24+00:00
2023-03-06T15:55:24+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
রায়পুরে ঝুঁকিপূর্ণ মাদরাসায় চলছে পাঠদান
৩ বছরেও শেষ হয়নি নতুন ভবন নির্মাণ কাজ
মো. আজম, রায়পুর (লক্ষ্মীপুর)
প্রকাশ: সোমবার, ৬ মার্চ, ২০২৩, ৩:৫৫ পিএম   (ভিজিট : ২৩৫)
X

এক বছরেই শেষ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু গত তিন বছর আগে ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে মাটির নিচে বরিং করলেও একাডেমিক কাঠামো এখনও শুরুই হচ্ছে না লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলাধীন চরপাতা দারুহ ছুন্নাহ দাখিল মাদরাসা।

শ্রেণিকক্ষের অভাবে এখন ঝুঁকিপূর্ণ টিনের ঘরে চলছে পাঠদান। তবে বরাদ্দের অভাবে কাজ বন্ধ রয়েছে বলে দাবি করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। শিগগিরই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর। ৬০০ শিক্ষার্থীর জন্য ছোট একটি শৌচাগার আছে, নাই মসজিদ ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা। ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠা হলেও ১৯৮০সালে এমপিও হয় মাদরাসাটি।

রোববার সকালে সরেজমিন দেখা গেছে, শ্রেণিকক্ষ না থাকায় দুটি কক্ষে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। এরইমধ্যে কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে গেছেন। চরপাতা ইউনিয়নে দুটি মাধ্যমিক স্কুল থাকলেও তারা প্রতি বছর বরাদ্ধ পায় কিন্তু একটি মাত্র মাদরাসা থাকা সত্তেও গত ৩০ বছরে সরকারি কোন অনুদান পায়নি বলে জানান কর্তৃপক্ষ।

নীচে দুই পাশে ও তার ডান পাশে একতলা ভবনের ছাদের দুই পাশে শিডিউল করে ক্লাস নিচ্ছেন শিক্ষকরা। ২০১৯ সালের জুলাই মাসে শুরু হয় চরপাতা গাজিনগর দাখিল মাদরাসার পশ্চিম পাশে মাটির নীচে খালি জায়গায় নতুন ভবন নির্মাণের কাজ। এ জন্য ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে বরিং করলেও গত তিন বছর ধরে কাঠামো হচ্ছে না। কার্যাদেশ অনুযায়ী পরের বছর ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনও হয়নি প্রকল্পের কাজ। বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ টিনের ঘরে নিতে হচ্ছে ক্লাস। রোদ-বৃষ্টি, এমনকি চলতি মৌসুমের তীব্র শীতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের। মাদরাসাটির পুরোনো ভবনটিও জরাজীর্ণ।

প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণির ছাত্রী সায়মা ইসলাম, লামিয়া আক্তার, নবম শ্রেণির ছাত্রী আফিবা আক্তার, লানু আক্তার ও সুমন ইসলাম জানান, শ্রেণিকক্ষের অভাবে ও জরাজীর্ণ ভবনের ছাদে টিনের ফুটো কক্ষের কারণে চরম কষ্টে তাদের পড়ালেখা চলছে। শীত, ঝড়-বৃষ্টির কারণে তাদের নিয়মিত পড়াশোনা ব্যাহত হয়।

মাদরাসার দাতা সদস্য দিদার হোসেন দেলু বলেন, শিক্ষকরা যেভাবে পাঠদান অব্যাহত রেখেছেন, তা একেবারেই অমানবিক। শ্রেণিকক্ষের অভাবে এক রুমে গাদাগাদি করে ক্লাস নেওয়া ছাড়াও ঝুঁকিপূর্ণ টিনের কক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস নিতে হচ্ছে তাদের।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী দিপঙ্কর ঘোষ বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা অল্প কয়েকদিনের মধ্যে কাজ শুরু করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৫ লাখ টাকা। বর্তমানে মাদরাসাটিতে প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক-কর্মচারী ২২ জন।

বাবু/জেএম






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy