প্রকাশ: সোমবার, ৬ মার্চ, ২০২৩, ৪:৪১ পিএম (ভিজিট : ২০৫)

X
কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোববার ভয়াবহ আগুনে দুই হাজারের মত ঝুপড়ি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ১২ হাজার রোহিঙ্গা।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানতে জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ানকে প্রধান করে ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে রয়েছেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিস, এপিবিএন, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিগণ।
যেখানে বলা হয়েছে আগামী ৩ দিনের মধ্যে কারণ বের করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার৷ সোমবার কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার বলেন, ‘ক্যাম্পের অগ্নিকাণ্ডে দুই হাজার মত ঝুপড়ি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ১২ হাজার রোহিঙ্গা ঘর হারায়। সোমবার সকাল থেকে তাদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম আশ্রয়হীন রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী ঘর তৈরি করবে। জাতিসংঘের খাদ্য সংস্থা ডাব্লিউএফপি রোহিঙ্গাদের জরুরি খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে।’ ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা হচ্ছে। নিখোঁজ কিংবা হতাহতের কোনো ঘটনা নেই।
সোমবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসন, পুলিশ, এপিবিএনসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা। এর মধ্যে উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনের ঘটনাটি পরিকল্পিত নাশকতা বলে দাবি করছেন সাধারণ রোহিঙ্গারা। ইতিমধ্যে রোহিঙ্গাদের ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়ার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রচার হয়েছে।
তদন্ত কমিটি অনুসন্ধানের পর তার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারস্থ অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামছুদ্দৌজা।
তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক অবস্থায় ২ হাজারের মতো ঘর পুড়েছে। যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১২ হাজার রোহিঙ্গা। পুড়ে যাওয়ার মধ্যে ৩৫টি মসজিদ-মক্তব, ২টি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র, হেল্প পোস্ট একটি, যুব কেন্দ্র, নারীবান্ধব কেন্দ্র একটি, শিক্ষাকেন্দ্র একটি, শিশুবান্ধব কেন্দ্র একটি, মানসিক পরিচর্যা কেন্দ্র একটি পুড়ে গেছে।’
বাবু/জেএম