প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০২৩, ৮:১৪ পিএম (ভিজিট : ১৩৭)

X
ফুটবল ও কেরাম খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় পৃথক স্থানে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ মার্চ) দুপুরে উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের পিজাহাতী ও বলাইশিমুল ইউনিয়নের নোয়াদিয়া গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে।
নিহত ২ ব্যক্তি হলেন, পিজাহাতী গ্রামের তাহের উদ্দিনের ছেলে কবির (৫০) এবং নোয়াদিয়া গ্রামের জালু মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া (২০)।
পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, সোমবার (২০ মার্চ) মাসকা ইউনিয়নের পিজাহাতী গ্রামের পতিত জমিতে ফুটবল খেলার সময় দুইপক্ষের শিশুদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এ নিয়ে হামজা মিয়া ও আলিম উদ্দিনের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জেরে মঙ্গলবার (২১ মার্চ) দুপুরে উভয়পক্ষের লোকজন মারামারিতে লিপ্ত হলে হামজা মিয়ার চাচাতো ভাই কবির মিয়া আহত হন। পরে তাকে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কবির মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে বলাইশিমুল ইউনিয়নের নোয়াদিয়া গ্রামের সোহেল মিয়ার বড় ভাই আনিস মিয়ার সাথে একই গ্রামের আমান মিয়ার ছেলে আলী হোসেন ও কামাল মিয়ার পূর্ব শত্রুতা চলে আসছিল। এরই জের ধরে সোমবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যা রাতে স্থানীয় বাজারে মানিক মিয়ার দোকানে কেরাম খেলা নিয়ে দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে দুপক্ষের লোকজনই মারামারিতে জড়িয়ে পড়লে প্রতিপক্ষের লোকজনের কুড়ালের আঘাতে গুরুতর আহত হয় সোহেল মিয়া। পরে তাকে প্রথমে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে ওই রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে মঙ্গলবার (২১ মার্চ) দুপুরে সেখানেই মৃত্যু হয় সোহেলের।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আলী হোসেন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমি নিজে ঘটনাস্থল দুটি ঘুরে এসেছি। পোস্টমর্টেমের জন্য কবির মিয়ার লাশ নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে এবং সোহেল মিয়ার লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। এসব ঘটনায় লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বাবু/ এনবি