প্রকাশ: বুধবার, ২২ মার্চ, ২০২৩, ৫:৪৭ পিএম আপডেট: ২২.০৩.২০২৩ ৫:৫৮ পিএম (ভিজিট : ১৯৬)

X
ময়মনসিংহের ত্রিশালে মাদ্রাসা নির্মাণে জমি নিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পাতলেন খুদ মাদ্রাসার সেক্রেটারি । এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
জানা গেছে,উপজেলার অলহরি বাদামিয়া গ্রামে ১৯৮৪ সালে মসজিদে মক্তব পড়া শুরু হয়। দিন যতই যাচ্ছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় স্থানীয় মোক্তার আলী মীর আল্লাহর সন্তুষ্টি জন্য অলহরি বাদামিয়া মীর পাড়া এবতেদায়ী মাদরাসায় ৬শতাংশ জমি ৩৫৯২ দাগ থেকে সাব কবলা মুলে দান করে দেন।
পরে সাব রেজিস্ট্রার অফিসে তল্লাশি দিলে জানতে পারে মাদ্রাসার সেক্রেটারি মফিজুল ২৭ শতাংশ জমির দলিল করে নেন।
মাদ্রাসার দায়িত্বে থাকা সেক্রেটারি মফিজুল ইসলাম ১৯৯০ সালে প্রতারনার ফাঁদ পেতে তার নামে জাল দলিল করে ১৩শতাংশ জমি মাদ্রাসায় দান করে দাতা সাজেন। মূল জমির মালিক চারযুগ পর মোক্তার আলী সাব রেজিস্ট্রার অফিসে তল্লাশি দিয়ে দেখেন তার নিজ জমি ৩৫৯২/৯৩ দাগ থেকে দলিল দিয়েছেন মাদ্রাসার নামে।
এবতেদায়ি মাদ্রাসার সরকার পরিচালনা করবে শুনে প্রতারক মফিজুল আগে থেকেই ফাঁদ পেতে থাকে সরকারি সুবিধাভোগ করার জন্য নিজেদের মত করে মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি গঠন করেছেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় জমি দাতার ছেলে আব্দুর রাজ্জাক।
মফিজুলকে মুঠো ফোনে বারবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় মোক্তার রহমান মীর বাদী হয়ে ত্রিশাল সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন।
জিম্মানুল আনোয়ার
-বাবু/এনএইচ