বাড়ির মালিক কামরুল হাসান শাকিল বলেন, রাত প্রায় আড়াইটা থেকে ৩টার দিকে আমার বাড়িতে ডাকাত প্রবেশ করে। বাড়ির জানালার গ্রিল কাটার শব্দে আমরা বুঝতে পেরে 'ডাকাত ডাকাত' বলে চিৎকার করি। এই চিৎকার শুনে ভাড়াটিয়া মফিজুল ঘর থেকে বের হয়। এরপর বিকট শব্দ শুনি। পরে পরিস্থিতি বুঝে আমরা ঘর থেকে বের হয়ে দেখি মফিজুলকে গুলি করেছে।
তিনি বলেন, তাকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য কোনো গাড়িও পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে মফিজুলকে মোটরসাইকেলে করে নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আমাদের ধারণা মফিজুল কোন এক ডাকাতকে ধরে ফেলায় তারা গুলি করে পালিয়ে গেছে।
আশুলিয়া থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মোমেনুল ইসলাম বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এর আগে গতকাল আশুলিয়ার জামগড়ার রূপায়ন এলাকায় এক গাড়ি চালককে হাত পা বেধে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এছাড়াও গত কয়েকদিন আগে আশুলিয়ার দোসাইদ ও সেনওয়ালিয়া এলাকায় দুই চালককে হত্যা করে অটোরিকসা ছিনতাই করেন দুর্বৃত্তরা। এসব ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আজ আবারও এক গার্মেন্টস শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করলো ডাকাতরা। আশুলিয়া এলাকায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হওয়ায় স্থানীয়রা পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।