প্রকাশ: রোববার, ২ এপ্রিল, ২০২৩, ৪:৩৮ পিএম (ভিজিট : ১৯৯)

X
কক্সবাজারের কস্তুরাঘাট এলাকায় উচ্ছেদের নামে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি থেকে ৫শ ব্যক্তির বসতঘর উচ্ছেদের নামে গৃহহীন করার ঘটনাটি আইন বর্হিভূত ছিল বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি (বেলা) কর্তৃক দায়েরকৃত মামলাটি ‘আউট অব লিস্টে’ করেছেন মহামান্য হাইকোর্ট। ২৮ মার্চ শুনানি শেষে বিচারপতি জে.বি.এম হাসান ও বিচারপতি রাজীক আল-জলিল এর দ্বৈত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
কক্সবাজার কস্তুরাঘাট উকিলপাড়া সমাজ কমিটির পক্ষে নিয়োজিত আইনজীবী সিনিয়র এডভোকেট এম.কে রহমান (সাবেক অতিরিক্ত এ্যাটর্নী জেনারেল) ও এডভোকেট আনোয়ার পারভেজ এর বরাত দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত আইনজীবীরা জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার কস্তুরাঘাট উকিলপাড়ায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় কক্সসবাজার জেলা প্রশাসন।
এতে ২৫ জন আইনজীবীর ঘর-বাড়িসহ ৫শ এর অধিক পাকা ঘর-বাড়ি উচ্ছেদের নামে কক্সসবাজার জেলা প্রশাসন গুড়িয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি (বেলা) কর্তৃক ডায়েরি যে Contempt মামলা নং-৪৭১/২২ দোহাই দিয়ে কস্তুরাঘাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে।
ওই মামলা মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) শুনানির জন্য মহামান্য হাইকোর্টে দিনধার্য্য করেছিল। ধার্য্য তারিখ ২৮ মার্চ মামলাটির কোন আদেশ প্রচার না করে মহামান্য হাইকোর্ট উক্ত মামলা তালিকার বাইরে (আউট অব লিষ্ট) করে দিয়েছেন।
তাতে করে উচ্ছেদের নামে বসতবাড়ি ভাঙচুর করে শতশত মানুষকে গৃহহীন করার ব্যাপারে Contempt মামলার জেলা প্রশাসনের দোহাই দিয়ে উচ্ছেদ ঘটনাটি সম্পূর্ণরূপে আইনবহির্ভূত হয়ে গেল।
তারা আরো জানান, এ আদেশের কারণে এখন স্বাভাবিকভাবে জেলা প্রশাসনকে বেলা এর মূল মামলার আদেশ মোতাবেক সিএস জরিপে ফিরে যেতে হবে। কিন্তু কক্সবাজার জেলায় সিএস জরিপ চূড়ান্ত না থাকায় জেলা প্রশাসন পরবর্তী নির্দেশনার চেয়ে মূল মামলায় একটি দরখাস্ত দাখিল করেছিলেন।
উক্ত দরখাস্ত মূল মামলায় এখনো নিস্পত্তি করা হয়নি বরং পেন্ডিং রয়েছে। জরিপ জটিলতায় উদ্বেগ, কোর্ট হতে সঠিক দিক নির্দেশনা ও উচ্ছেদ সংক্রান্তে চূড়ান্ত আদেশ না পাওয়ার পরেও জেলা প্রশাসন কিসের ভিত্তিতে ৫শ ব্যক্তি মালিকানাধীন বসতবাড়ি ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছেন। আদালতে মামলাটি ৬১নং সিরিয়ালে ছিল।
এদিকে, উক্ত মামলায় বেলার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট শামীমা ইয়াসমিন ও রাষ্ট্র পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট তুষার কান্তি রায়। এতে উকিলপাড়া সমাজ কমিটির পক্ষে আইনজীবী ছিলেন-সিনিয়র এডভোকেট এম.কে রহমান (সাবেক অতিরিক্ত এ্যাটর্নী জেনারেল) ও এডভোকেট আনোয়ার পারভেজ।
বাবু/জেএম