প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৩, ২:০২ পিএম (ভিজিট : ২২৯)
X
ফায়ার সার্ভিসের ৪৮টি ইউনিটের প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে রাজধানীর বঙ্গবাজারের আগুন। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিমানবাহিনী। এর কিছুক্ষণ পরে পৌঁছায় সেনাবাহিনী। পরে, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে নৌ বাহিনী। এরপর সব শেষ যোগ দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
ঈদের জন্য আনা শত শত দোকানের মালামাল পুড়ে ছাই
ভয়াবহ এই আগুনে ঈদের জন্য আনা শত শত দোকানের মালামাল পুড়ে ছাই হয়েছে। সব হারিয়ে দিশেহারা এখানকার ব্যবসায়ীরা। কোনো ক্রমেই থামছে না তাদের কান্না। দোকানিদের অভিযোগ, আগুন লাগার পরপরই খবর দেওয়া হয় কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আসতে দেরি করে। ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। প্রথমে আগুন লাগে গুলিস্তান মার্কেটে। সেখানে থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বঙ্গবাজার মার্কেটে। এখন পাশের অন্য ভবনেও ছড়িয়ে পড়েছে। কাপড়ের মার্কেট হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ছে।
বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সার্বিক খোঁজখবর রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগুন নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক কার্যক্রমের সমন্বয় করছেন তিনি। সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন বলে তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে বসে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মনিটরিং করছেন।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সার্বিক খোঁজখবর রাখছেন প্রধানমন্ত্রী
বঙ্গবাজারের ভেতরের শাড়ির দোকানি তোফাজ্জল মিয়ার কান্না যেন থামছেই না। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঈদ সামনে রেখে দোকানে নতুন নতুন শাড়ি তুলেছি। এগুলো আমার সামনেই পুড়ল, কিন্তু কিছুই বের করতে পারিনি।
বঙ্গ ইসলামিয়া বাজারের শার্টের দোকানি সৈয়দ রাসেল মিয়া এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করছিলেন আর কাঁদছিলেন। তিনি শুধু বলছিলেন, সব পুড়ে শেষ আমার। আমি এখন কি করুম। শুধু তোফাজ্জাল ও রাসেলের দোকান নয়, এমন শত শত দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন এখানকার ব্যবসায়ীরা। ঈদ সামনে রেখে কেউ লাখ লাখ টাকা, কেউবা কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। কিন্তু আগুনের মুখ থেকে কোনো কিছুই উদ্ধার করা যায়নি। কান্নাজড়িত কণ্ঠে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা বলেন, সব হারিয়ে এখন তারা কী করবেন বুঝতে পারছেন না।
দোকান মালিক সমিতির সূত্রে জানা যায়, বঙ্গবাজার মার্কেটে আড়াই হাজারসহ আশপাশের মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ৫ হাজার দোকান ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। আগুনে আনুমানিক দুই হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে উল্লেখ করে প্রাথমিকভাবে থোক বরাদ্দ হিসেবে সাতশ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন।
তিনি বলেন, সব পুড়ে শেষ না করা পর্যন্ত এই আগুন নেভার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। আমাদের জানা মতে, শুধু বঙ্গবাজার কাঠের মার্কেটেই আড়াই হাজারের মতো দোকান রয়েছে। এখানে ছোট ছোট ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা দোকান করেন। সামনে ঈদ। সবাই ঈদকেন্দ্রিক বেচাকেনার পণ্য তুলেছেন দোকানে। এমন সময় এই অগ্নিকাণ্ড বড় ধরনের ক্ষতি ডেকে এনেছে।
ঈদকেন্দ্রিক ব্যবসায় ক্ষতি পুষিয়ে দিতে প্রাথমিকভাবে সাতশ কোটি টাকা থোক বরাদ্দের দাবি
তিনি বলেন, এই ব্যবসায়ীদের পুঁজি বলতে দোকানের মালামালই। মালামাল পুড়ে গেলে তাদের আসলে পুঁজি বলতে সব শেষ। এখন তাদের জন্য আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি, রমজানের ঈদকেন্দ্রিক ব্যবসায় ক্ষতি পুষিয়ে দিতে প্রাথমিকভাবে সাতশ কোটি টাকা থোক বরাদ্দের দাবি জানাচ্ছি।
ব্যবসায়ীরা ঝুঁকি নিয়ে কিছু মালামাল বের করতে পারলেও বেশিরভাগই আগুনে নষ্ট হয়েছে। বঙ্গবাজার মার্কেটে 'মায়ের দোয়া' নামেই ছয়টি দোকান মোহাম্মদ হেলাল খানের। তার দাবি, দোকানে ৬ কোটি টাকারও বেশি মালামাল ছিল। হেলাল খান বলেন, মার্কেটে আমাদের ৬টি দোকান, কোনোরকমে একটি দোকানের মালামাল বের করতে পেরেছি। গোডাউনের মালামালও বের করতে পারিনি। কিছু পুড়েছে, বাকি সব পানিতে নষ্ট হয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের দোকানে ৬ কোটি টাকারও বেশি মালামাল ছিল। ঈদ উপলক্ষ্যে গতকালই আমি ৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকার মাল তুলেছি। সবই আমার নষ্ট হয়েছে। ২০ হাজার টাকার মতো হয়তো মালামাল বের করতে পেরেছি।
সরকার যদি আমাদের কিছু ক্ষতিপূরণ দেয় তাহলে আমাদের জন্য ভালো হবে
ক্ষতির শিকার এই ব্যবসায়ী আরও বলেন, আমিসহ অসংখ্য ব্যবসায়ী পথে বসে গেছে। সরকার যদি আমাদের কিছু ক্ষতিপূরণ দেয় তাহলে আমাদের জন্য ভালো হবে। মালামালের তুলনায় বলতে গেলে আমরা কিছুই বের করতে পারিনি। এই অবস্থায় সরকার যদি আমাদের সহযোগিতা করে, তাহলে কোনোরকম উঠে দাঁড়াতে পারবো। নয়তো আমাদের মরণ ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
অনেক ব্যবসায়ী জীবনের শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। তাদেরই একজন মো. মামুন। পুড়ে যাওয়া মার্কেটে ৫টি দোকান ছিল তার। আগুনে সবকটি দোকান পুড়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি মামুনের।
মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে বঙ্গবাজারের পাশে ফুটপাতে বসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে মামুন বলেন, মার্কেটে আমার ৫টি দোকান আছে। এসব দোকানে শাড়ি, লুঙ্গি, শার্ট, প্যান্ট ও গেঞ্জি ছিল। ঈদকে সামনে রেখে আত্মীয়-স্বজন ও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ১০ কোটি টাকার মতো মালামাল কিনেছিলাম। গত কয়েক দিনে কোটি টাকার মালামাল বিক্রিও হয়েছে। আর আগুন লাগার পর কয়েক লাখ টাকার মালামাল বের করতে পেরেছি। বাকি মালামাল আগুনে পুড়ে গেছে। সব হারিয়ে পথে বসা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই আমার।
আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের লোকজনের কিছুটা হলেও গাফিলতি আছে
তিনি অভিযোগ করে বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের লোকজনের কিছুটা হলেও গাফিলতি আছে। তারা ঠিক মতো কাজ করছেন না। তারা যদি সঠিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করতেন আমাদের ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা হলেও কম হত।
শফিকুল ইসলাম নাসে এনেক্সকো টাওয়ারের এক ব্যবসায়ী বলেন, আগে পদক্ষেপ নিলে এ টাওয়ারে আগুন লাগতই না। শুরুতে এনেক্সকো টাওয়ার গেটের ভেতর দিয়ে পানি দেওয়া দরকার ছিল। কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের কিছু টিম পানি দিয়েছে বঙ্গবাজার মার্কেটে আর বাকি টিম পুলিশ হেডকোয়ার্টারে চলে গেছে। এই সুযোগে ধীরে ধীরে এনেক্সকো টাওয়ারে আগুন ছড়িয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা বলেন, ফায়ার সার্ভিসকে দায় দিয়ে লাভ নেই। আমরা আমাদের মতো কাজ করছি। আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসলেও পরে কিছুটা বেড়েছে। তবে এই মুহূর্তে আগুন নিয়ন্ত্রণে আছে। এমনকি এনেক্সকো টাওয়ারের সামনের দিকে পুরোটাই অক্ষত আছে এবং টাওয়ারের ভেতরে আমাদের কর্মীরা আছেন। তারা ভেতর থেকে কাজ করছেন।
অপরদিকে দেখা গেছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত পানির সংকট থাকায় ঘটনাস্থলের নিকটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের পুকুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পানি সংগ্রহ করেন। এবং হাতিরঝিল থেকে পানি নিয়ে রাজধানীর বঙ্গবাজারে লাগা আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার। সকাল ১০টার দিকে বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারকে হাতিরঝিল থেকে পানি নিতে দেখা যায়।
আগুন নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত পানি ছিলো না
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উত্তেজিত হয়ে লোকজন ফায়ার সার্ভিসের ভবনে লাঠি, বাঁশ, রড নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এছাড়া দূর থেকে ইটপাটকেল ছুঁড়েছে অনেকে। এ সময় ফায়ার সার্ভিসের ১০টি গাড়ি ও অভ্যর্থনা কক্ষে ভাঙচুর চালানো হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের আটজন কর্মী।
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার শাহজাহান শিকদার জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বঙ্গবাজারের উল্টোপাশে ফায়ার সার্ভিসের ভবনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার সময় ভবনে ঢুকে কিছু উত্তেজিত জনতা জুতা-স্যান্ডেল নিক্ষেপ করেছে। এছাড়া ভবনের গ্লাস ভাঙচুর করা হয়েছে।
রাজধানীর বঙ্গবাজারে লাগা আগুনের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসকর্মীসহ অন্তত ১৭ জন সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে রেফার করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ফায়ার সার্ভিসকর্মীসহ অন্তত ১৭ জন সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স সানী সরকার বলেন, আগুনের ঘটনায় আহত হয়ে আমাদের হাসপাতালে এখন পর্যন্ত ২৫ জনেরও বেশি চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে ১৭ জন চিকিৎসাধীন। হাসপাতালে আসা আহতদের মধ্যে আমরা ১৭ জনের নাম অ্যান্ট্রি করতে পেরেছি। শুরুর দিকে রোগীর চাপ বেশি থাকায় বাকিদের নাম অ্যান্ট্রি করা সম্ভব হয়নি। আহতদের মধ্যে বেশির ভাগই ফায়ার সার্ভিস কর্মী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের যে আটজন আহত হয়েছেন তারা হলেন- নুরুজ্জামান, সঞ্জয়, মেহেদী, অন্তর, আতিক, বাবুল, দিদার ও আনোয়ার ইসলাম। তাদেরকে চিকিৎসার জন্য আশপাশের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। যেসব গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে তার মধ্যে পিকআপ, অ্যাম্বুলেন্স, মিনিবাস ও ওয়াটার রেসকিউ কার রয়েছে বলে জানা গেছে।
রোজা শুরুর পর থেকেই ধীরে ধীরে জমে ওঠে এ মার্কেটের ব্যবসা
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বঙ্গবাজারই দেশের সব থেকে বড় পাইকারি কাপড়ের মার্কেট। ঈদকে কেন্দ্র করে রোজা শুরুর পর থেকেই ধীরে ধীরে জমে ওঠে এ মার্কেটের ব্যবসা। এ বছরও জমতে শুরু করেছিল বঙ্গবাজারের কেনাবেচা। কিন্তু হঠাৎ লাগা আগুন সব কেড়ে নিয়েছে ব্যবসায়ীদের।
করোনার কারণে গত কয়েক বছর ঈদে ভালো ব্যবসা করতে পারেননি তারা। আশা ছিল, গত কয়েক বছরের লোকসান এবার পুষিয়ে নেওয়ার। কিন্তু বিধি বাম! মঙ্গলবার ভোরে মার্কেটে লাগা আগুন তাদের সেই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে। দাউ দাউ আগুনে পুড়েছে ব্যবসায়ীদের ঈদের স্বপ্ন।
বঙ্গবাজার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অনেকটা ক্ষুব্ধ হয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন জানিয়েছেন, ২০১৯ সালের ২ এপ্রিল এই মার্কেটটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। এরপর ১০ বার নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন
ডিজি বলেন, ‘২০১৯ সালের ২ এপ্রিল এই ভবনটি অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ আমরা বলেছিলাম, আমরা ঘোষণা করেছিলাম এবং আমরা ব্যানারও দিয়েছিলাম। এরপরে দশবার নোটিশ দিয়েছি যে এই ভবন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।’
‘ফায়ার সার্ভিস বা আমার করণীয় যা যা ছিল তা করেছি। তারপরও এখানে ব্যবসা চলছিল।’ দশবার নোটিশ দিয়েছেন এরপরে বিষয়টি দেখার দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশন বা রাজউকের। তাদের অবহেলার কারণে কী ঘটনা ঘটেছে? এ প্রশ্নের জবাবে ডিজি বলেন, ‘এ প্রশ্নটার উত্তর আমার কাছে নেই। এই প্রশ্নটা যে সংস্থার নাম আপনি উচ্চারণ করবেন, তাকে জিজ্ঞাসা করাটা ব্যাটার।’
‘আমরা এই মার্কেটের সামনে এরকম ব্যানারও টাঙিয়েছিলাম ২০১৯ সালে। আপনারা মিডিয়া প্রতিনিধিরা অবশ্যই জানেন, এরকম ব্যানার আমরা টাঙিয়েছি, আপনারা দেখেছেন।’