প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৩, ৮:৩৬ পিএম (ভিজিট : ২৪২)

X
শিশুশ্রম সমাজে নেতিবাচক মানুষের জন্ম দেয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, 'যারা পরিবার থেকে বেরিয়ে শিশুশ্রমে যুক্ত হয়, তারা তাদের শৈশব হারায়, কৈশোর হারায়। সম্ভাবনার ইতি ঘটে। ভবিষ্যত নষ্ট হয়। এই শিশুদের অনেকে পরে দুষ্কর্ম, সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। সমাজের খারাপ লোকগুলো এদের মধ্যে থেকে আসে।'
বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে 'ঢাকা শহরে শ্রমজীবী শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিতকরণ' প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। এডুকো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, কোইকা, চাইল্ডফান্ড কোরিয়া এবং এডুকোর যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে এডুকো এবং ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ইএসডিও। তিন বছর মেয়াদী এই প্রকল্প ঢাকা শহরে ৮০০ শ্রমজীবী শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রম থেকে প্রত্যাহার করে শিক্ষার সুযোগ তৈরি করে দিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, শিশুশ্রম নিয়ে সমস্যা রয়ে গেছে। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিসরে বিভিন্ন কাজ হচ্ছে। শিশুশ্রম নিরসনে এই কাজ গুলোকে টেকসই করতে হবে। শ্রমজীবী শিশুদের শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে হবে এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষা দিয়ে সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। এডুকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর আব্দুল হামিদ বলেন, শুধুমাত্র দরিদ্রতা নয় বরং অসচেতনার কারণে শিশুরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত হয়ে থাকে।
এডুকো বাংলাদেশের চাইল্ড লেবার এলিমিনেশন ম্যানেজার আফজাল কবির খান বলেন, সহযোগী সংস্থা ইএসডিও-এর সহায়তায় এডুকো বাংলাদেশ ঢাকার নিম্ন আয়ের বসতি এলাকার ৮টি স্থানে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে, যা ব্রিজ বিদ্যালয় নামে পরিচিত। যেখানে বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত কর্মজীবী শিশুরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে শিক্ষায় অংশ নিতে পারে।
অনুষ্ঠানে অংশ নেয় কোইকা বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর তেইয়ং কিম, স্প্যানিশ দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ইগনাসিও সাইলেস ফার্নান্দেজ-পালাসিওস, দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেন প্রমুখ।
বাবু/জেএম