খুলনায় ধর্ষণ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি প্রীতম ঢাকায় গ্রেফতার
সৈকত মোঃ সোহাগ, খুলনা প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৩, ১:০১ পিএম (ভিজিট : ১৬৯)

X
নগরীতে গণধষর্ণের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি প্রীতমকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। গত শুক্রবার তাকে ঢাকার মিরপুর পল্লবী থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার প্রীতম নগরীর সোনাডাঙ্গা থানা এলাকার বাসিন্দা। গতকাল তাকে সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গতকাল র্যাব প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, গণধর্ষণের শিকার কিশোরী নগরীর একটি বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে সোনাডাঙ্গা থানা এলাকায় বসবাস করতো। স্কুলে যাওয়া-আসার পথে ভিকটিমের সাথে আসামি শান্ত বিশ্বাসের পরিচয় হয়। ২০১৯ সালের ২৯ জুন বিকেলে আসামি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভিকটিমকে নগরীর সাহেবের কবরখানার সামনে ডেকে নেয়। সেখান থেকে কৌশলে আসামি সোনাডাঙ্গা থানাধীন বিহারী কলোনীর মোড়ে অবস্থিত অপর আসামির ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। ভিকটিম কিছু বুঝে ওঠার আগে অন্যান্য পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে ভিকটিমের বোন বাদী হয়ে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি তখন বিভিন্ন মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয় এবং জনমনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
বিচারকার্য শেষে আদালত গণধর্ষণ মামলার অন্যতম পলাতক আসামি কাজী আরিফুল ইসলাম প্রীতমসহ ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৪ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। ঘটনাটি জানতে পেরে র্যাব-৬ (সদর কোম্পানি) খুলনার একটি আভিযানিক দল উক্ত মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামি কাজী আরিফুল ইসলাম প্রীতমকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে এবং অভিযান অব্যাহত রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৬ এবং র্যাব-১, ঢাকার একটি যৌথ আভিযানিক দল ১৫ এপ্রিল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার পলবী থানাধীন মিরপুর-১০ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গণধর্ষণ মামলায় মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামি কাজী আরিফুল ইসলাম প্রীতম গ্রেফতার করে। পরে তাকে সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
-বাবু/এ.এস