শিগগিরই উদ্বোধন হচ্ছে আখাউড়া—আগরতলা রেলপথ

রুবেল আহমেদ, আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

সারাবাংলা

শিগগিরই উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আখাউড়া—আগরতলা রেলপথ। আর সেদিকেই উন্মুখ হয়ে তাকিয়ে আছেন কাঁটাতারের সীমান্তের দু’প্রান্তের মানুষ। এই রেলপথের

2023-05-09T18:30:02+00:00
2023-05-09T18:33:22+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
শিগগিরই উদ্বোধন হচ্ছে আখাউড়া—আগরতলা রেলপথ
রুবেল আহমেদ, আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৯ মে, ২০২৩, ৬:৩০ পিএম  আপডেট: ০৯.০৫.২০২৩ ৬:৩৩ পিএম  (ভিজিট : ৪০৪)
X

শিগগিরই উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আখাউড়া—আগরতলা রেলপথ। আর সেদিকেই উন্মুখ হয়ে তাকিয়ে আছেন কাঁটাতারের সীমান্তের দু’প্রান্তের মানুষ। এই রেলপথের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ পরিসেবাসহ বাড়বে আন্তরিকতা।

ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের অংশ হিসেবে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে আখাউড়া—আগরতলা সাড়ে দশ কি.মি. ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে কলকাতা থেকে ট্রেন আখাউড়া হয়ে আগরতলা পর্যন্ত চলাচল করতে পারবে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর মধ্যে রেল যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে। এতে করে দুই দেশের সম্পর্ক বাড়াতেও ভূমিকা রাখবে এই প্রকল্প। 

২০১৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আখাউড়া—আগরতলা রেললাইন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। আঠারো মাস মেয়াদী এই প্রকল্পটি শেষ হতে একে একে পেরিয়ে গেছে সাড়ে চার বছর। করোনা অতিমারির কারণে দফায় দফায় বাড়ানো হয়েছে প্রকল্পটির মেয়াদ।

সর্বশেষ চতুর্থ দফায় চলতি বছরের ত্রিশে জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আখাউড়া হয়ে কলকাতা ও আগরতলা পর্যন্ত রেল সংযোগ স্থাপনের পাশাপাশি উত্তর—পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির সঙ্গে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ চালু হবে। প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে গেলে প্রতিবেশী ২ দেশের মধ্যে ব্যবসা—বাণিজ্য সম্প্রসারণেও নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্ক ও উপ—আঞ্চলিক কানেকটিভিটির ক্ষেত্রেও নতুন করিডোর স্থাপিত হবে। ফলে ২ দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। ভারত—বাংলাদেশ রেলওয়ে সংযোগ প্রকল্পটি ঢাকা হয়ে আগরতলা এবং কলকাতার মধ্যে ভ্রমণের সময় ও দূরত্ব কমিয়ে দেবে। প্রকল্পটি চালু হলে ৩১ ঘণ্টার পরিবর্তে সময় লাগবে ১০ ঘণ্টা এবং ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার থেকে দূরত্ব কমে হবে ৫৫০ কিলোমিটার। আগরতলা—আখাউড়া রেলপথে ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশের দিকে প্রবেশের ভারতীয় অংশে নিশ্চিন্তপুর রেল স্টেশন নির্মাণের কাজ এর মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ অংশে আখাউড়ার গঙ্গাসাগর রেলওয়ে স্টেশন থেকে রেললাইন যাবে আগরতলার নিশ্চিন্তপুর সীমান্তে। এই অংশে গঙ্গাসাগর রেলস্টেশন এলাকায় ইমিগ্রেশন ও কাস্টম’স ভবন নির্মাণ কাজও প্রায় শেষ। এই প্রকল্পের মোট ব্যয় ৪৭৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আখাউড়া থেকে আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথের দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে দশ কিলোমিটার। সাড়ে ছয় কিলোমিটার অংশ বাংলাদেশে। বাকি সাড়ে চার কিলোমিটার আগরতলা অংশে। শুরুতে প্রকল্পটি পনের কিলোমিটারের ছিল। পরে পাঁচ কিলোমিটার এলাকা কমানো হয়েছে।ভারতের নয়াদিল্লির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেক্সমেকো রেল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড এ প্রকল্পের কাজ করছে।

প্রতিষ্ঠানটির প্রকৌশলী রিপন শেখ জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে প্রকল্পের ৮৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। ভারত থেকে স্লিপার ও রেললাইন চলে এসেছে। এখন রেললাইন বসানোর কাজ চলছে। সীমান্ত থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার রেললাইন বসানো হয়েছে। ত্রিশে জুনের মধ্যেই কাজ শেষ করা যাবে। এবং জুুুলাই থেকে এ পথে ট্রেন চলাচল করবে বলেও জানান এই প্রকৌশলী।

বাবু/জেএম 





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy