ভাঙা সেতু পাড় হয়ে স্কুলে যাচ্ছে ওঁরা

মাহমুদ হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)

সারাবাংলা

খালের পশ্চিম পাশে কাছিয়াবুনিয়া আর পূর্বাংশে হাপুয়াখালী গ্রাম। মাঝখানে বয়ে যাওয়া খালটির নাম আমলাভাঙা। দুই গ্রামের মানুষজনদের মেলবন্ধনে

2023-05-11T18:09:43+00:00
2023-05-11T18:19:49+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
ভাঙা সেতু পাড় হয়ে স্কুলে যাচ্ছে ওঁরা
আতঙ্কে থাকেন অভিভাবক-বিদ্যালয় প্রধানরা
মাহমুদ হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১১ মে, ২০২৩, ৬:০৯ পিএম  আপডেট: ১১.০৫.২০২৩ ৬:১৯ পিএম  (ভিজিট : ৩৬৯)
X

খালের পশ্চিম পাশে কাছিয়াবুনিয়া আর পূর্বাংশে হাপুয়াখালী গ্রাম। মাঝখানে বয়ে যাওয়া খালটির নাম আমলাভাঙা। দুই গ্রামের মানুষজনদের মেলবন্ধনে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। সুবিধার সেতু এখন গলারকাটা হয়ে ঝুঁলছে। গত দেড় বছর ধরে সেতুটি মাঝাংশে ভেঙে মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে। ঘটতে পারে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা। তবুও ঝুকিপূর্ণ সেতু দিয়ে যাতায়াত করছে প্রায় চার শতাধিক কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা। 
 ভাঙা সেতু পাড় হয়ে স্কুলে যাচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীরা

ভাঙা সেতু পাড় হয়ে স্কুলে যাচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীরা


এরপরেও সেতুটি ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যাক্তিরা। মঙ্গলবার (৯ মে) পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন সেতুটিতে গিয়ে এ চিত্র দেখা গেছে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে ১৯৯৮ সালে আমলাভাঙ্গা খালের উপর আয়রণ ব্রিজ প্রকল্প থেকে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। তবে এ সেতুর কোন তথ্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে সংরক্ষিত নেই।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ভাঙা সেতুটি পার হয়ে কাছিয়াবুনিয়া গ্রামে অবস্থিত কাছিয়াবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৭ নং কাছিয়াবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাছিয়াবুনিয়া আছমত আলী পন্ডিত দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা আসা-যাওয়া করছেন। এ ছাড়াও ঝুঁকিপূর্ণ সেতু পার হয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে ছুঁটে যাচ্ছেন ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রে।

 ভাঙা সেতু পাড় হয়ে স্কুলে যাচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীরা

ভাঙা সেতু পাড় হয়ে স্কুলে যাচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীরা

শিক্ষার্থীরা বলছেন, প্রায় দেড়বছর ধরে এই সেতুটি ভাঙা থাকার কারণে আমরা অনেকে ভয় পাই স্কুলে যেতে। এখান দিয়ে যাওয়ার সময় পরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।  সেতুটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্মাণ করে দিলে নির্ভয়ে স্কুলে যেতে পারবো। 

স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা বলেন, সেতুটি মাঝখানে ভাঙা। আমাদের ছেলে মেয়েরা স্কুল, মাদরাসায় যাইতে কষ্ট হয়। ওঁরা (শিক্ষার্থীরা) কোন সময় ভাঙা দিয়ে পরে যায় তা নিয়ে আমরা আতঙ্কের মধ্যে থাকি। ভাঙা সেতুটি নির্মাণ করে দেয়ার জন্য জোড় দাবি জানাচ্ছি।

ভাঙা সেতু লাগোয়া কাছিয়াবুনিয়া আছমত আলী পন্ডিত দাখিল মাদরাসা সুপার মাওলানা মো. হারুন আর রশিদ বলেন, মাদরাসার পূর্বপাশের সেতুটি অত্যান্ত নাজুক। যখন স্কুল এবং মাদরাসা ছুঁটি হয় তখন আমরা আতঙ্কের মধ্যে থাকি। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে অনুরোধ থাকবে এই সেতুটি শীঘ্রই যেন করে দেয়া হয়। তাহলে আমাদের শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ চিন্তামুক্ত হবে।
 ভাঙা সেতু পাড় হয়ে স্কুলে যাচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীরা

ভাঙা সেতু পাড় হয়ে স্কুলে যাচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীরা


রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইদুজ্জামান মামুন বলেন, ইতোমধ্যে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মিটিংয়ে সেতুটি সংস্কারের জন্য প্রস্তাব করেছি।

এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমান বলেন, আমলাভাঙা খালের ওপর নির্মিত সেতুটি সরেজমিন ঘুরে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্পে প্রস্তাব পাঠানো হবে। 

বাবু/জেএম 






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy