
মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণসহ চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও চুক্তি ভিত্তিক নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ডে উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহৃত হতো বলে স্বীকারক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেপ্তার আসামিরা।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, নারায়ণগঞ্জ সদর থানাধীন বাড়িরটেক এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে মো. সোহেল (৩৩), মুন্সিগঞ্জের পশ্চিম মুক্তারপুর এলাকার আলী আক্কাসের ছেলে রহিম বাদশা (৩৫) ও একই এলাকার মো. আলী আকবরের ছেলে মো. প্রভাত হোসেন (৩৫)।
র্যাব জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে নারায়ণগঞ্জ সদর থানাধীন কালিরবাজার এলাকায় টহলের সময় জানা যায় সৈয়দপুর এলাকায় বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী পরস্পরের যোগসাজসে অস্ত্রসহ অপরাধমূলক কর্মকান্ডের পরিকল্পনা করছে। এমন খবরের ভিত্তিতে র্যাব ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে গ্রেপ্তার তিন আসামি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে র্যাব সদস্যরা ১টি ১২ বোর একনলা বন্দুক, ১টি দেশিয় পিস্তল, ২টি সুইচ গিয়ার এবং ৩ রাউন্ড গুলিসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা দীর্ঘদিন যাবৎ মুন্সিগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্রের ভয়ভীতি দেখিয়ে মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, চোরাকারবারি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটনের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তার করে আসছিল।
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মুন্সিগঞ্জ ও নারায়নগঞ্জ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।
বাবু/জেএম