অনিয়মে ভরপুর আখাউড়া শুল্ক গুদাম

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

নিলামযোগ্য পণ্যে ঠাসা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া শুল্ক গুদাম। একইসঙ্গে ব্যাপক অনিয়মেও ভরে গেছে গুদামটি! সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলে

2023-05-27T17:28:09+00:00
2023-05-27T17:32:41+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
অনিয়মে ভরপুর আখাউড়া শুল্ক গুদাম
আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ২৭ মে, ২০২৩, ৫:২৮ পিএম  আপডেট: ২৭.০৫.২০২৩ ৫:৩২ পিএম  (ভিজিট : ৬২৫)
X


নিলামযোগ্য পণ্যে ঠাসা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া শুল্ক গুদাম। একইসঙ্গে ব্যাপক অনিয়মেও ভরে গেছে গুদামটি! সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলে এসব অনিয়ম করে যাচ্ছে। এতে সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব। এসব অনিয়মের বিষয়ে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করলেও কোনো ধরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শুল্ক গুদামের নানা বিষয়ে তথ্য অধিকার আইনে তথ্য চেয়ে পাননি ওই ব্যবসায়ির সাংবাদিক পুত্র।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বরাবর গত ১৮ই মে করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গুদাম থেকে কোটি টাকার মাল উধাও হয়ে গেছে। পঁচনশীল দ্রব্য নিলামের টাকাও ঠিক মতো ব্যাংকে জমা দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ি।

তিনি অভিযোগ পত্রে লিখেছেন, গুদামে দীর্ঘদিন যাবত সিল টেন্ডার হচ্ছে না। এখন গুদাম ভর্তি রয়েছে নিলামযোগ্য পণ্য। যথা সময় নিলাম না হওয়ায় এসব পণ্য গুদামেই মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। গুদামের পণ্য কৌশলে রদবদলও করা হচ্ছে। তদন্ত করলে কয়েক কোটি টাকার মালামাল গুদামে পাওয়া যাবে না।

তিনি অভিযোগ করেন, মাঝে মাঝে ওপেন নিলাম হয়। কিন্তু সেটাতেও নিয়ম মানা হয় না। নিয়ম অনুযায়ি সরকারি ভ্যাট ও ট্যাক্স দেওয়ার কথা থাকলে কর্মরতদের যোগসাজশে সেটা করা হয় না। ওই টাকাটা গুদাম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পকেটে চলে যায়।
মানিক মিয়া জানান, গুদাম কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দিন যোগদানের পর সেখানে অনিয়ম বেড়ে গেছে। নিলামে সর্বোচ্চ ডাককারির টাকা নগদ গ্রহন করে তিনি ডেলিভারি মেমো দিয়ে দিচ্ছেন। তবে ওই মেমোতে কোন কোন মালামাল বিক্রয় করা হয়েছে সেটা উল্লেখ করা হয় না।

মানিক মিয়ার অভিযোগ, এ বিষয়ে আখাউড়া শুল্ক স্টেশন ও শুল্ক গুদামের ডেপুটি কমিশনার আবু হানিফ মোহাম্মদ আবুল আহাদের কাছে অভিযোগ করলে তিনি কোনো ধরণের পদক্ষেপ গ্রহন করেননি। এ অনিয়মের সঙ্গে তিনিও জড়িত। সম্প্রতি তিনি নিজ এলাকার ও নিজ পছন্দের পাঁচজনকে শুল্ক স্টেশনে এনে বিভিন্ন দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন। যে কারণে অনিয়ম করতে তার সুবিধ হচ্ছে।

সোহেল মিয়া নামে এক ব্যবসায়ি জানান, মাঝে মাঝে যেসব পণ্য নিলাম দেওয়া হচ্ছে সেগুলোর মেয়াদ শেষের দিকে। মেয়াদ কম থাকায় এইসব পণ্যের চাহিদাও কমে যায়। বাজারে এসব  পণ্যের সঠিক মূল্য পাওয়া যায় না। যথা সময় এইসব পণ্য নিলাম দিয়ে সরকার এখান থেকে বিপুল পরিমাল রাজস্ব পেত স্থানীয় সাংবাদিক মো. সাব্বির হোসেন বলেন, ‘গুদাম কর্মকর্তার কাছে আমি তথ্য অধিকার আইনের নির্ধারিত ফরমে একটি আবেদন গত ৮ ফেব্রুয়ারি নিয়ে যাই। তিনি সেটা গ্রহন করেননি। ডেপুটি কমিশনার কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট ,আখাউড়া শুল্ক স্টেশন, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বরাবর তথ্য অধিকার আইনে তথ্য চেয়ে আবেদন করে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করেও পাইনি।

-বাবু/এ.এস






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy