প্রকাশ: শনিবার, ২৭ মে, ২০২৩, ৯:২০ পিএম আপডেট: ২৭.০৫.২০২৩ ৯:২৬ পিএম (ভিজিট : ৩৪৩)

X
গাজীপুরের টঙ্গীর ৫৩নং ওয়ার্ডে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার রাতে বড় দেওড়া আদর্শপাড়া পুরাতন মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ১০জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় হেলাল উদ্দিনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সদ্য নির্বাচিত ৫৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সোলায়মান হায়দারের ভাতিজা আদিম আদর্শপাড়া এলাকায় একটি সামাজিক বিচারে অংশ নিতে গেলে পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী সেলিম মিয়ার কর্মী আলমাসের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় সোলায়মান হায়দারের লোকজন আলমাসকে মারধর করে। বিষয়টি জানাজানি হলে সেলিম মিয়ার কর্মীরা ঘটনাস্থলে জড়ো হলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় সেলিম মিয়ার নির্বাচনী এজেন্ট শাহজালাল, সাগর, আজহার, হেলাল, নিলুফাসহ ১০জন আহত হয়। ঘটনার পরপর বড় দেওড়া এলাকায় সোলায়মান হায়দারের সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে লাঠিসোটা নিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে টঙ্গী-ভাদাম রোডে এবং পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী সেলিম মিয়ার লোকজন পার্শ্ববর্তী কাঠালদিয়া এলাকায় মারমুখী অবস্থান নেয়।
আহত সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী মর্জিনা আক্তার বলেন, আমি এই নির্বাচনে প্রার্থী ছিলাম। আমার স্বামী আমার নির্বাচনের পাশাপাশি কাউন্সিলর প্রার্থী সেলিম মিয়ার সমর্থনে কাজ করেছে। ভোটের দিন সোলায়মান হায়দারের লোকজন তাদের পক্ষে কাজ করার জন্য আমাদেরকে ৫ লাখ টাকা দিতে চায়। আমরা রাজী না হওয়ায় নির্বাচনের পরের দিন নাদিম, সাদিমের নেতৃত্বে তাদের সন্ত্রাসীরা আমাকে এবং আমার স্বামীকে বেধরক মারধর করে।
আহত শাহাজালাল অভিযোগ করে বলেন, বড় দেওড়া পুরাতন মসজিদ এলাকায় বিজয়ী কাউন্সিলরের ভাতিজা নাদিম, সাদিম এর নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী পরাজিত প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট ও কর্মীদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি শাহ আলম মারামারির ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করে বলেন, রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষকে বুঝিয়ে নিবৃত করি। এঘটনায় কোনপক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।