চিরকু‌টে ওসিকে দায়ী করে ঝাড়ুদারের আত্মহত্যা

পি‌রোজপুর প্রতি‌নি‌ধি

সারাবাংলা

আমি নির্দোষ, আমি চু‌রি ক‌রি‌নি, আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী ইন্দুরকানী থানার ওসি এনামুল হক আর পিরোজপুর সদর থানার

2023-06-06T17:03:40+00:00
2023-06-06T17:07:37+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
চিরকু‌টে ওসিকে দায়ী করে ঝাড়ুদারের আত্মহত্যা
পি‌রোজপুর প্রতি‌নি‌ধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ জুন, ২০২৩, ৫:০৩ পিএম  আপডেট: ০৬.০৬.২০২৩ ৫:০৭ পিএম  (ভিজিট : ৬৯৪)
X

আমি নির্দোষ, আমি চু‌রি ক‌রি‌নি, আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী ইন্দুরকানী থানার ওসি এনামুল হক আর পিরোজপুর সদর থানার ওসি আবির হোসেন। আমি ইন্দুরকানী থানার ওসির টাকা চুরি করি না। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমার মৃত্যুর পর পোস্টমর্টেম না করে আমাকে মামার বাড়িতে দাফন করবেন। মৃত্যুর আগে এরকমই একটি চিরকুট লিখে বিষপাণ ক‌রে আত্মহত‌্যা ক‌রে‌ছেন পিরোজপুর সদর থানায় কর্মরত ঝাড়ুদার আল মামুন (৪০)।

গত সোমবার সকালে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার গাবগাছিয়া গ্রামের একটি বাজারে বিষপানের পর রাতে ঢাকা নেওয়ার পথে মামুন মারা যান। গাবগা‌ছিয়া গ্রামের আবুল কালাম শেখের ছেলে মামুন প্রায় ১০ বছর ইন্দুরকানী থানায় ঝাড়ুদারের চাকরি করার পর দুই মাস হলো পিরোজপুর সদর থানায় বদলি হয়ে আসেন। তবে তিনি বাড়ি থেকে পিরোজপুরে এসে তার দায়িত্ব পালন করতেন।

মামুনের স্ত্রী মরিয়ম বেগম জানান, তার স্বামী মামুন রোববার বিকেলে বাড়িতে ফেরার পর তাকে খুবই বিমর্ষ দেখাচ্ছিল। তাকে অনেক বার জিজ্ঞাসা করার পর সে জানান যে, মসজিদ থেকে একটি জায়নামাজ চুরির অভিযোগে পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবির মোহাম্মদ হোসেন তাকে গালমন্দ ও শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেছেন। 
চিরকুট

চিরকুট


এ ঘটনায় মামুন কোনো অঘটন ঘটাতে পারে এই আশঙ্কায় পরিবারের সদস্যরা পুরো বিকেল এবং রাতেও তাকে পাহারা দিয়েছে। তবে মামুন সকালে বাজারে গিয়ে আগাছা নিধনের ওষুধ কিনে তা পান করে। এরপর স্থানীয়রা দ্রুত মামুনকে ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায়, দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে রওনা হয় স্বজনরা। এরপর পথে সন্ধ্যা ৭টার দিকে মামুনের মৃত্যু হয়।

মামুনের স্ত্রী অভিযোগ করে আরও বলেন, ইন্দুরকানী থানায় থাকাকালীন ওই থানার ওসি এনামুল হক আমার স্বামীর উপর বিভন্নভাবে নির্যাতন করতো। এমনকি সে পিরোজপুর সদর থানায় যাওয়ার পরও ইন্দুরকানী থানার ওসি ওই থানার ওসির কাছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে আজেবাজে কথা বলেছে যাতে সেখানেও আমার স্বামী নির্যাতিত হয়। 

বাবু/জেএম





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy