প্রকাশ: শনিবার, ১০ জুন, ২০২৩, ৩:৩৯ পিএম (ভিজিট : ৬১১)

X
কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় কয়েক বছর ধরে ওলকচুর আবাদ হচ্ছে। খরচ কম কিন্তু ফলন বেশি হওয়াতে কৃষক বসতবাড়ি কিংবা ফলজ বাগানে সীমিত পরিসরে আবাদ করছে।
ইব্রাহীমপুর ব্লকের চাষী মোখলেছ মিয়া বলেন, আগে জমিতে বাণিজ্যিকভাবে ওলকচু চাষাবাদ দেখিনি। আমি এ বছর চাষ করেছি। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আমাকে বীজ, সার, প্রশিক্ষণ দিয়েছে। ইতিমধ্যে অনেকেই আগ্রহী। কচুর পাশাপাশি বীজও সংগ্রহ করে বিক্রি করে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা দেখছি।
বড়িকান্দি ইউনিয়নে কৃষক আজিজ মিয়া জানান, ওলকচু আমাদের এলাকায় নতুন। কৃষি বিভাগের পরামর্শে এই নতুন ফসল আবাদ করেছি। ২০ শতক পরিত্যক্ত উচু জমিতে আবাদ করেছি এখন পর্যন্ত গাছের বৃদ্ধি ভালো।
নবীনগর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ওল কচু গাছে তেমন কোনো রোগ হয় না, তবে পাতা ও কাণ্ড পচা রোগ দেখা যেতে পারে। ওলকচুর ক্ষেত্রে কীটপতঙ্গ তেমন কোন সমস্যা নেই। নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার, গোড়া উঁচু করে দেয়া ও গোড়ায় খড় বা আচ্ছাদন দিয়ে ঢেকে দিলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। জৈব সার বেশি ব্যবহার করা ভালো। তবে রাসায়নিক সার যেমন: ইউরিয়া, পটাশ, টিএসপি সারও কিছু দেওয়া যায়। গাছ লাগানোর ৭-৯ মাস পর যখন ৮০% গাছের পাতা হলুদ হয়ে যাবে, তখন ওল সংগ্রহ করতে হবে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আমরা নতুন নতুন জাত এবং নতুন কন্দাল ফসল জনপ্রিয় করার জন্য প্রদর্শনী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে থাকি। ওলকচু চাষের জন্য ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস ভালো সময়। এর পরে রোপণ করলে ফলন কমে যায়।
বাবু/জেএম