প্রকাশ: শনিবার, ১০ জুন, ২০২৩, ৫:৩১ পিএম (ভিজিট : ১৭৪)

X
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নৃত্যকলা বিভাগের ছাত্রী এলমা চৌধুরী ওরফে মেঘলার মৃত্যুর ঘটনায় তার স্বামী বেকসুর খালাস পাওয়ার পরও ধোঁয়াশা আর কাটলই না।
আদালতের নথি সূত্রে জানা গেছে, এলমা চৌধুরী ওরফে মেঘলার মা-বাবা হলফ নামা দিয়ে বলেছেন, ভুল বুঝাবুঝির কারণে তারা তাদের মেয়ের স্বামী ও শ্বশুর-শাশুরির বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। যা তাদের সঠিক সিদ্ধন্ত ছিল না। তাই এই মামলার আসামি বেকসুর খালাস পেলে তাদের কোন আপত্তি নেই। তাদের মেয়েকে হত্যা করা হয়নি, সে নিজেই আত্মহত্যা করেছে।
তবে মামলার শুরু থেকে চার্জশিট পর্যন্ত সমস্ত আলামতে বলা হয়েছে এলমা চৌধুরী ওরফে মেঘলাকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু বিচারের শেষ পর্যায়ে এসে এলমা চৌধুরী ওরফে মেঘলার বাবা-মায়ের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আসামি এবং বাদী উভয় পরিবারের নিকটজনরা বলছেন, আসামি পক্ষ্যের প্রভাব এতোটাই বেশি ছিল যা এলমা চৌধুরী ওরফে মেঘলার বাবা-মা তাদের অবস্থান থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে।
এলমা চৌধুরী ওরফে মেঘলার স্বামী কানাডা প্রবাসী ইফতেখার আবেদীনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগ এনে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তবে চার্জশিটে ইফতেখারের বাবা অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল মো. আমিন ও শ্বাশুরি শিরিন আমিনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
ওইদিন ইফতেখার ও তার বাবা-মা আত্মসমর্পণ করে জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেন। বাবা-মায়ের জামিন বহাল রাখলেও ইফতেখারের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান আদালত।
তখন বাবা-মাকে বাদ দিয়ে শুধু ইফতেখারের বিরুদ্ধে আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে চার্জশিট দাখিল করায় অসন্তুষ্টি জানিয়েছিল বাদীপক্ষ। শ্বশুর বাড়িতে পরিকল্পিতভাবে এলমাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি ছিল তাদের।
বাবু/জেএম