প্রকাশ: সোমবার, ১৯ জুন, ২০২৩, ৬:১৪ পিএম (ভিজিট : ১৫০)

X
কক্সবাজারের কলাতলীর কটেজ জোনে আবারও উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। আজ সোমবার (১৯ জুন) সকাল থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই অভিযান চালানো হয়। এ সময় অবৈধভাবে নির্মাণাধীন ১২টি ভবনের সামনের পিলার ভেঙে দেয়া হয়।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সিনিয়র সহকারী সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল হাশেমের নেতৃত্বে কক্সবাজার জেলা পুলিশ, আনসার ব্যাটালিয়ন এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বাংলাদেশ বুলেটিনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল হাশেম। এ সময় তারা কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের বিপরীত পাশে গণপূর্তের সৈকত সমবায় সমিতির প্লটগুলোতে অভিযান চালান।
কউক’র একটি সূত্র জানিয়েছে, ১৯৯৬ সালে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সৈকত সমবায় সমিতির নামে ৭ দশমিক ৫০ একর জমি বরাদ্দ দেয়। ১৯৯৭ সালে এসে মন্ত্রণালয় ৭ দশমিক ৫০ একরের পরিবর্তে ৫ একর জমি বরাদ্দ দিয়ে সংশোধিত বরাদ্দপত্র জারি করে। ওই সময় সৈকত সমবায় সমিতি সংশোধিত বরাদ্দপত্র মেনে নিলেও পরে ২ দশমিক ৫০ একর জমি পাওয়ার জন্য হাইকোর্টে রিট করে।
সূত্রটি আরও জানিয়েছে, ২০১৬ সালে সমিতির পক্ষে রিভিউ পিটিশন দাখিল করা হলে সেটিও ২০১৯ সালে বাতিল করে ওই জমিতে নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদের আদেশ দেন আদালত। এরই পরিপ্রেক্ষিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে অভিযান চালায় কউক।
কউক চেয়ারম্যান কমোডর মোহাম্মদ নুরুল আবছার বলেন, কক্সবাজারকে একটি পরিকল্পিত পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অবৈধ ও অনুমোদন ছাড়া স্থাপনার বিরুদ্ধে অভিযান চলবে।
বাবু/জেএম