প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ জুন, ২০২৩, ১১:৩৩ এএম (ভিজিট : ২৯৮)

X
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সড়কে বাড়ছে চাপ। ঈদে বাড়িফেরা মানুষের পাশাপাশি কোরবানির পশু নিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যবসায়ীদের চলাচলে অনেক ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক।
গত ঈদযাত্রায় এ সড়কে তেমন সমস্যা হয়নি। এবারও ঈদযাত্রা স্বস্তির হোক এমনটাই চাওয়া যাত্রী ও পরিবহনশ্রমিকদের। তবে মহাসড়কের ১৩ কিলোমিটার অংশের উন্নয়ন কাজ চলায় ভোগান্তি হতে পারে বলে শঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।
পরিবহনের শ্রমিকরা বলছেন, অতিরিক্ত গরুবাহী ট্রাক, মহাসড়কের পাশে একাধিক গরুর হাট, চারলেন প্রকল্পের চলমান কাজ এবং অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে মহাসড়কে ভোগান্তি হতে পারে।
তবে পুলিশ সুপার বলছেন, গত ঈদের মতো এবারও মহাসড়কে পর্যাপ্ত পরিমাণে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা থাকবেন। তাদের সহায়তায় ঈদযাত্রা নির্বিঘ্নই হবে।
জানা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে গাজীপুরের ভোগড়া পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার সড়কে চারলেন প্রকল্পের কাজে যাতায়াতে আমূল পরিবর্তন এসেছে। প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর উত্তরবঙ্গের ২৩ জেলার মানুষের রাজধানী ঢাকার সঙ্গে চলাচল অনেক সহজ হয়েছে।
তবে এলেঙ্গা হতে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়কের কাজ এখনও চলমান রয়েছে। এই ১৩ কিলোমিটার সড়কে দুই লেন থাকায় যানবাহনগুলো স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না।
পাশাপাশি কোরবানির পশুবাহী ট্রাক-পিকআপ, একাধিক স্থানে কোরবানির পশুরহাট বসানো ও অতিরিক্ত যানবাহনের কারণে বঙ্গবন্ধু সেতু টোল সিস্টেমে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ কারণে ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা রয়ে গেছে।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়ক দিয়ে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার যানবাহন চলাচল করে। তবে ঈদের কয়েকদিন আগে থেকে যানবাহনের পরিমান প্রায় তিনগুণ বেড়ে যায়।
তবে পরিবহনকর্মী ও যাত্রীরা বলছেন মহাসড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি থাকলে ভোগান্তি তেমন থাকবে না বলে মনে করছেন তারা।
এদিকে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, গত ঈদুল ফিতরে মানুষ কোনো রকম ভোগান্তি ছাড়াই বাড়ি পৌঁছাতে পেরেছেন। এবারও সাধারণ মানুষকে নির্বিঘ্নে বাড়ি পৌঁছে দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
-বাবু/এ.এস