প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৪ জুলাই, ২০২৩, ৬:১০ পিএম (ভিজিট : ১৪৭)

X
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক ঘটনায় মঙ্গলবার মা-মেয়েসহ ৪ জনের লাশ উদ্ধার করেছে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ। নিহতরা হলেন, সিনথিয়া (২৭) ও তার মেয়ে আয়েশা (৩), নুরুন্নাহার (৪২) ও আব্দুল্লাহ (১০)।
বিভিন্ন সূত্রে জানাযায়, জাহিদ হাসান মাগুরা জেলার সদর উপজেলার বাহারপূর এলাকার বাসিন্দা। তিনি ১৪ বছর পূর্বে একই এলাকার সিনথিয়াকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর সংসারে অভাব অনটন লেগেই থাকতো। অভাবের তাড়নায় ভালুকা উপজেলার জামিরদিয়া এলাকার বদরুলের বাড়িতে ভাড়া থেকে জাহিদ হাসান স্থানীয় পি,এ নীট টেক্সটাইল মিলে সুপারভাইজার পদে চাকরি করতেন।
ঘটনার রাতে জাহিদ বাসায় ছিলেন না। সকালে সিনথিয়া (২৪) ও আয়েশা (৩) ঘুম থেকে না ওঠায় প্রতিবেশিরা ডাকাডাকি করেন, এতে কোনো সাড়া না পেয়ে ঘরের ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখে মা-মেয়ে ফ্যানের সাথে একই রশিতে ঝুলছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময়। ঘটনার পর থেকে জাহিদ পলাতক রয়েছে। স্থানীয়রা ধারণা করছেন,পরিবারিক কলহের কারণেই এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটতে পারে। মা-মেয়েকে রশিতে ঝুলিয়ে নিজে একই রাশিতে আত্বহত্যা করতে পারেন।
পারিবারিক কলহের কারণে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন পুলিশ। ময়না তদন্তের জন্য পুলিশ নিহতদ্বয়ের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।
মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার কাশর এলাকার নির্মাণাধীন ভবনের দুই তলা ছাদে কাপড় শুকাতে গিয়ে পা পিছলে ছাদ থেকে পড়ে নুরুন্নাহার (৪২) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। নিহত নুরুন্নাহার ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার আব্দুল মালেক মিয়ার স্ত্রী। আব্দুল মালেক স্বপরিবার কাশর এলাকায় আব্বাস আলীর বাসায় ভাড়া থেকে স্থানীয় এ্যাডভান্স কোম্পানিত অপারেটর হিসাবে কাজ করতেন।
অপর দিকে মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের বিন্নুরিপাড়ায় খেলার জন্য বড় ভাই হুজাইফার কাছে ছোট ভাই আব্দুল্লাহ(১০) মোবাইল ফোন চায়। হুজাইফা তাঁকে ফোন না দেয়ায় ভাইয়ের সাথে অভিমান করে আব্দুল্লাহ গলায় গামছা দিয়ে ঘরের আড়ার সাথে ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেন। আব্দুল্লাহ পার্শ্ববর্তী সখিপুর উপজেলায় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতো।
বাবু/জেএম