প্রকাশ: বুধবার, ৫ জুলাই, ২০২৩, ৫:৩৩ পিএম (ভিজিট : ২৪৫)

X
ঈদের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়নি ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন অস্থায়ী পশুর হাটের জায়গা। ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশু বেচাকেনার জন্য তৈরি হয়েছিল এ হাটগুলো। হাটের জায়গায় ময়লা-আবর্জনা থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। হাট শেষে জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার দায়িত্ব ছিলো হাট ইজারাদারের। অথচ তা বিলম্ব হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পথচারীরা।
আগানগর ডিগ্রি কলেজ রোডের বাসিন্দা ফারুক হোসেন বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও হাটের বর্জ্য অপসারণ করতে দেরি করা হচ্ছে। যুবক পারভেজ রেজা বলেন, আগানগর মাঠের আশপাশের প্রায় প্রতিটি রাস্তাতেই পশুহাটের বর্জ্য ছড়িয়ে আছে। তা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। কদমতলি এলাকার পথচারী ইয়াসিন আলী মন্তাজ বলেন, আগানগর হাটের বর্জ্য কদমতলি লন্ডন স্কুলের সামনে বালু, গোবর, খড়কুটো এখনও পড়ে আছে। এযেন দেখা কেউ নেই। লন্ডন স্কুল অফ ইংলিশের পরিচালক ইয়ানুস মিয়া বলেন, ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিপরীতে ও লন্ডন স্কুল অব ইংলিশের সামনে কোরবানির হাটের বর্জ্য এখনো অপসারণ করা হয়নি। আমবাগিচা হাটের গরু এখানেই ট্রাকে ওঠা-নামা করানো হতো। কিন্তু হাটের বালু, গোবর, খড়কুটোর বর্জ্য এখনও পড়ে আছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খাবার হোটেলের সামনে। কদমতলীর মতো এমন একটি ব্যস্ততম সড়কে এখনো বর্জ্য পড়ে আছে। পথচারীসহ হোটেলে খেতে আসা মানুষকে দুর্গন্ধে সহ্য করতে হচ্ছে।
বুধবার সকালে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার আমবাগিচা হাট, জিনজিরা (জনি টাওয়ার) হাট, হাসনাবাদ হাট, তারানগর, নতুন সোনাকান্দা হাটসহ অস্থায়ী এই পশুর হাটের বিশাল এলাকাজুড়ে পশুর বর্জ্যরে স্তুপ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। টানা বৃষ্টির কারণে পশুর বর্জ্য সড়কের পানিতে মিশে যাওয়ায় দুর্গন্ধে নাক চেপে চলাচল করছে পথচারীরা। ঈদের সপ্তম দিন পশুর হাট শেষ হয়েছে। অথচ এখনও হাটের জায়গা পরিষ্কারের তেমন কোনো ভূমিকা নেই কর্তৃপক্ষের।
এ বিষয়ে আগানগর হাট ইজারাদার মীর আসাদ হোসেন টিটু বলেন, হাটের বর্জ্য অপসারণের কাজ চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যাবে। তিনি বলেন, কদমতলি এলাকার বর্জ্য আমাদের হাটের নয় এবং এসব বর্জ্য ব্যাপারীদের।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ ফয়সল বিন করিম বলেন, পশুর হাট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বর্জ্য সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা বর্জ্য সরিয়ে ফেলেনি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাবু/জেএম