দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি জামায়াতের আমীরের

উজিরপুর (বরিশাল) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

উজিরপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামের আমীর কাওছার হোসাইন ২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি একই ইউনিয়নের যোগিরকান্দা

2023-07-16T18:00:08+00:00
2023-07-16T18:00:08+00:00
বৃহস্পতিবার ৬ আগস্ট ২০২৬ ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার ৬ আগস্ট ২০২৬
   
দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি জামায়াতের আমীরের
উজিরপুর (বরিশাল) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ১৬ জুলাই, ২০২৩, ৬:০০ পিএম   (ভিজিট : ২৩৭)
X


উজিরপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামের আমীর কাওছার হোসাইন   ২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি একই ইউনিয়নের যোগিরকান্দা আব্দুর রব ফাজিল  মাদ্রাসার আইসিটি শিক্ষক পদে দীর্ঘদিন যাবত চাকরি করছেন। অপরদিকে তার নিজ গ্রাম ওটরা ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠিত ওটরা দারুল ফুরকান নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রধান শিক্ষক পদে ২০০১ সাল থেকে কর্মরত রয়েছেন।

জানা যায়, জামায়াতে ইসলামের আমীর হাফেজ কাওসার হোসাইন ২০০১ সালে ওটারা গ্রামে ইয়াতিমখানা প্রতিষ্ঠা করে জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রতিবছর  ৪৪ জন এতিমদের নামে সরকারের কাছ থেকে ৫ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা অনুদান গ্রহণ করেন। সরকারের বিধান মতে ৪৪ জন এতিমদের অনুদান গ্রহণ করতে হলে ঐ এতিমখানায়  ৮৮ জন এতিম থাকতে হবে।

সরেজমিনে দেখা যায় মাত্র ৬ জন এতিমকে পাওয়া যায়। এ বিষয়ে এতিমখানায় কর্মরত শিক্ষকদেরকে জিজ্ঞেস করলে তারা জানান এ প্রতিষ্ঠানে নতুন যোগদান করেছেন, কতজন এতিম ছাত্রছাত্রী আছে তারা বলতে পারছেন না। এ সময় প্রধান শিক্ষক কাওছার হোসাইনকে পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক  একাধিক এলাকাবাসী জানান, প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক সাহেব এতিমখানার মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ করেন।  বাণিজ্যিকভাবে নূরানী হাফিজীয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিচালনা করে থাকেন এবং মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী যাদের পিতা-মাতা আছে তাদেরকে ও এতিম বানিয়ে তালিকা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কাওছার হোসাইনকে মোবাইল ফোনে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমাদের এতিমখানায় ৩৫ জন এতিম ছাত্রছাত্রী রয়েছে। প্রতিবছর জেলা সমাজসেবা অফিস থেকে ৫ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা অনুদান পেয়ে থাকি। দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চাকরি করেন এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সমস্যা হলে প্রয়োজনে  ওটরা দারুল  ফুরকান নূরানী হাফীজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রধান শিক্ষকতার পদ ছেড়ে দেবো।

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান,এতিমদের নাম করে অর্থ আত্মসাৎ করলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চাকরির বিষয় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার  এবি এম জাহিদ হোসেন কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একসাথে দুইটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করার কোন সুযোগ নাই। প্রমাণ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাবু/এ.এস






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : bulletinadbd@gmail.com
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy