প্রকাশ: সোমবার, ১৭ জুলাই, ২০২৩, ৪:৪১ পিএম (ভিজিট : ১৭৭)

X
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলাধীন নাগডেমড়া ইউনিয়নের হাড়িয়া গ্রামে হাফিজা খাতুন (২৮) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য নিহতে স্বামী ও ওই মেয়ের পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন থানা পুলিশ।
তবে এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত কোন রহস্য উদঘাটন হয়নি। বেড়া সার্কেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্লল কুমুর দত্ত বলেছেন আপাতত কিছুই বলা সম্ভব হচ্ছে না। মৃত হাফিজা হাড়িয়া গ্রামের হাবলু মোল্লার মেয়ে। ঘটনাটি ঘটেছে গত রোববার (১৬ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে। খবর পেয়ে পুলিশ ওই দিন রাত ১০টার দিকে লাশ উদ্ধার করেছেন এবং ময়না তদন্তের জন্য সোমবার (১৭ জুলাই) পাবনা মর্গে প্রেরণ করেছেন।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১২ বছর আগে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার রতনকান্দি গ্রামের গফুর মোল্লার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) এর সাথে পারিবারিকভাবেই (হাফিজার) বিয়ে হয়। বিয়ের দুই বছর পর থেকেই হাফিজা তার বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন। তাদের ঘরে ৮ বছর ও ২ বছরের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। হাফিজার বাবা মা ফরিদপুর জেলার একটি গরুর খামারে কাজ করেন। এবং জাহাঙ্গীরও ফরিদপুর জেলার অন্য একটি গরুর খামারে চাকরি করেন।
হাফিজা মেয়ে দুটিকে নিয়ে তার দাদা শমসের মোল্লার কাছে থাকতো। ঘটনার দিন হাফিজার স্বামী দুপুরে হাড়িয়া গ্রামে তার শ্বশুর বাড়ি স্ত্রী সন্তানদের কাছে আসেন। হাফিজার স্বামী জাহাঙ্গীর তার শ্বশুরের কাছে টাকা পেত এবং টাকার জন্য তার স্ত্রীকে চাপ দেন। এ নিয়ে তার স্ত্রীর সাথে ঝগড়া হয়। পরবর্তীতে হাফিজার বড় মেয়ে জান্নাতুল ঘরে ঢুকে দেখতে পান তার মা ঘরের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছে। তার চিৎকারে বাড়ির লোকজন ও প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসলে তাকে মৃত দেখতে পান।
নাগডেমরা ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান হাফিজ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি ওই বাড়িতে গিয়েছিলাম। মৃত্যুর রহস্য এখনো জানা যায়নি।
সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ওই দিন রাতেই লাশ উদ্বার করা হয়েছে। এবং ময়না তদন্তের জন্য পাবনা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর মূল রহস্য জানা যাবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বাবু/জেএম