প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই, ২০২৩, ৫:৪৯ পিএম (ভিজিট : ১৫১)

X
বগুড়ার কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নের বাগইল গ্রামে মধ্য বয়সী এক গার্মেন্টস কর্মী ও তাঁর বোনের কিশোরী মেয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় সাতদিন পর অভিযোগ পেয়ে পুলিশ অভিযুক্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১:৩০টায় বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশ সুপার বলেন, স্বামীর সাথে অভিমান করে বড় বোনের কিশোরী মেয়েকে নিয়ে রংপুর আত্মীয়ের বাড়ি যাচ্ছিলেন নারায়ণগঞ্জ গার্মেন্টসপর এক নারী কর্মী।
১২ জুলাই বুধবার রংপুর যাওয়ার সময় বগুড়ার বারপুর মোড়ে তাদের বাস নষ্ট হয়। তখন তারা বগুড়ার কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নের কুশলিহার পূর্বপাড়া গ্রামে এক সহকর্মীর সাথে পরিচিত একজনের বাড়িতে আশ্রয় নেন তাঁরা। ওই রাত ও সারাদিন থাকার পর পরদিন ১৩ জুলাই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা রাতে আব্দুর রাজ্জাকের অটোভ্যান যোগে রংপুরের বাস ধরতে বাড়ি থেকে বের হন তাঁরা। রাত সোয়া ৮ টার দিকে কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নের বাগইল পশ্চিমপাড়া গ্রামে ব্রীজের নিকট পৌঁছালে মানুষরূপী একদল দানবের হাতে পড়েন তাঁরা। এসময় তারা মধ্য বয়সী গার্মেন্টস কর্মী ও তাঁর বোনের কিশোরী মেয়েকে পৃথক জায়গায় নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে। এরপর তাঁরা ডাকাতের রূপ নিয়ে তাঁদের নিকট থাকা ৭২ হাজার টাকা, কানের দুল ও একটি মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেয়।
এই ঘটনার এক সপ্তাহ পর ১৯ জুলাই বুধবার ভুক্তভোগী ওই নারী কাহালু থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ অভিযান শুরু করে ঘটনার সাথে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, বগুড়ার কাহালু উপজেলার কুশলীহার পূর্বপাড়ার আশরাফ আলী ফকিরের ছেলে আবুল কাশেম মানিক (৩৫) ও মোস্তফা ফকিরের ছেলে হাবিবুর রহমান হাবিব (২৫), বাগইল দক্ষিণপাড়ার আবু বক্কর সিদ্দকের ছেলে রাকিব হাসান (২৩), একই গ্রামের উত্তরপাড়ার নুরুল ইসলামের ছেলে শাকিল হোসেন (২৩) ও আইয়ুব আলীর ছেলে আতিক রহমান প্রান্ত (২২)।
কাহালু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে কাহালু থানায় ডাকাতিসহ গণধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত করিয়ে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত অন্য আসামিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
বাবু/জেএম