প্রকাশ: শুক্রবার, ২৮ জুলাই, ২০২৩, ৫:১৪ পিএম আপডেট: ২৮.০৭.২০২৩ ৫:১৬ পিএম (ভিজিট : ৩৪০)

X
দেশে অন্যান্য বিভাগের তুলনায় এবার সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় পাসের হারে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে বরিশাল বিভাগ। এ বিভাগে এবার পাসের হার ৯০ দশমিক ১৮ শতাংশ।
পাশের হারের হিসাব অনুযায়ী, বরিশাল বোর্ডে এসএসসিতে মেয়ে শিক্ষার্থীদের পাসের হার ৯১ দশমিক ৯৪ এবং ছেলে শিক্ষার্থীদের পাসের হার ৮৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। যে ধারাবাহিকতা টানা তিন বছর ধরেই ধরে রেখেছে মেয়েরা।
যেখানে বিষয়ভিত্তিক পাশের হারে বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগেও এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। বিজ্ঞান বিভাগে মেয়েদের পাশের হার ৯৭ দশমিক ২৯ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৬ দশমিক ৩০ শতাংশ। মানবিক বিভাগে মেয়েদের পাশের হার ৮৯ দশমিক ৩৯ এবং ছেলেদের পাশের হার ৮৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে মেয়েদের পাশের হার ৯৫ দশমিক ৩০ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯০ দশমিক ২৩ শতাংশ।
এদিকে মোট জিপিএ-এর মধ্যে ৩ হাজার ৬৫৪ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়ে এগিয়ে রয়েছে ছেলেদের তুলনায়, মেয়েদের থেকে ছেলেরা প্রায় ১ হাজার জন জিপিএ-৫ কম পেয়েছে। ছেলেদের জিপিএ-৫ প্রাপ্তি সংখ্যা ২ হাজার ৬৫৭।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুণ কুমার গাইন জানান, এবার ১ হাজার ৪৭৭ টি স্কুল থেকে ৯০ হাজার ১৯৬ জন শিক্ষার্থী ১৯০ টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। যার মধ্যে মাত্র ৪৫ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ছেলেদের সংখ্যা বেশি ছিল।
এদিকে এ বছর বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৯১ দশমিক ০৪ শতাংশ নিয়ে সবার ওপরে আছে ভোলা। এর পর ৯১ দশমিক ০১ শতাংশ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ঝালকাঠি জেলা। ৯০ দশমিক ৮৩ শতাংশ নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে বরিশাল জেলা। ৮৯ দশমিক ৩১ শতাংশ নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে আছে পিরোজপুর জেলা। আর ৮৯ দশমিক ১৮ শতাংশ নিয়ে পঞ্চম স্থানে বরগুনা জেলা। ৮৩ দশমিক ০৫ শতাংশ নিয়ে সবচেয়ে পিছিয়ে পটুয়াখালী জেলা।
অন্যদিকে ফলাফল ঘোষণার পরপরই বরিশালের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। স্কুল প্রাঙ্গণে ড্রামের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আনন্দ করতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের।অনেকে ‘ভি’ চিহ্ন দেখিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। এ যেন বাধঁভাঙা উচ্ছ্বাস তাদের। আনন্দঘন সময় কাটে উপস্থিত অভিভাবকদেরও। অনেককে মা-বাবার সঙ্গে সেলফি তুলতেও দেখা যায়।
সামিরা রহমান নামে বরিশাল সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলেন, খুবই চিন্তিত ছিলাম কি হয়, যখন দেখলাম জিপিএ-৫ পেয়েছি তখন অনুভূতি প্রকাশ করার মতো না, এতোটা খুশি লাগছে।
ফলাফলের নথি তুলে দেওয়ার সময় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইন বলেন, “শিক্ষক-অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের প্রবল ইচ্ছার কারণেই ভালো ফলাফল সম্ভব হয়েছে।”
বাবু/এ.এস