প্রকাশ: শুক্রবার, ৪ আগস্ট, ২০২৩, ৭:২৯ পিএম (ভিজিট : ২০১)

X
নড়াইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাস-ট্রাক ও মাটিবাহী ট্রাক্টর ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে। শুক্রবার সকালে প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটেছে নড়াইল-যশোর মহাসড়কে নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর এলাকায়।
আর দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ১০টার দিকে যশোর-ঢাকা মহাসড়কে লোহাগড়া উপজেলার এড়েন্দা বাজার এলাকায়। আহতদের উদ্ধার করে গুরুত্বর চার জনকে চিকিৎসার জন্য খুলনা পাঠানো হয়েছে। বাকিদের নড়াইলের বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, যশোর থেকে ঢাকাগামী নড়াইল এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাস লোহাগড়া উপজেলার এড়েন্দা বাজার বাসষ্টান্ড এলাকা অতিক্রমকালে বেপরোয়া গতির ফলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিকে থেকে আসা একটি মাল বোঝাই বিআরটিসি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসের সম্মুখভাগ দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে চালক সহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়। আহতদের আশপাশের লোকজন গিয়ে উদ্ধার করে। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ রাস্তা পরিস্কার করে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
অপর আরেক ঘটনায় যাত্রীবাহী বাস ও মাটিবাহী ট্রাক্টর ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে আন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক ৪ জনকে নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস নড়াইল ইউনিট ষ্টেশন অফিসার মো. মাসুদ রানা জানান, ঢাকা থেকে সাতক্ষীরাগামী এসপি গোল্ডেন লাইন পরিবহনের ঢাকা মেট্রো ব ১৫-১৬২৯ যাত্রিবাহী বাস নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর পেট্রেল পাম্প এলাকা অতিক্রমের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা বেপরোয়া গতির একটি (ট্রাক্টরের জমিচাষের ফালা খুলে ফেলে মাল বহনের জন্য পেছনে ট্রলি জুড়ে দেয়া) অবৈধ মাটিবাহী ট্রলির সঙ্গে সংঘর্ষ কবলিত হয়। এতে বাসটি দুমড়ে গিয়ে নারীসহ বাসের অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস নড়াইল ইউনিট গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সংকটাপন্ন যশোর সদরের মালঞ্চি গ্রামের দর্জি দোকানি আজিজুর রহমান, তার স্ত্রী সেলিনা মেয়ে নাজনিন ও শার্শার তরিকুল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে ঢাকা পঙ্গু পাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
তুলারামপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. মেহেদেী হাসান জানান, দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও ট্রলি জব্দ করা গেলেও এর চালকরা সরে পড়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ প্রকৃয়া অব্যাহত আছে।
বাবু/জেএম