প্রকাশ: শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৬:১৩ পিএম (ভিজিট : ৩৪৫)

X
এইচএসসি পাশ করে চট্রগ্রামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগদান করেছিলেন নড়াইল সদর উপজেলার হবখালী ইউনিয়নের সিঙ্গিয়া গ্রামের মো. আকরাম মোল্যা। সেখানে কাজ করেন তিন বছর। কিন্তু সব সময় উদ্যোক্তা হতে চাইতেন তিনি। সেই ইচ্ছা থেকেই তিনি চাকরি ছেড়ে মুরগির খামার করার পরিকল্পনা নেন। ২০১৭ সালে পারিবারিক সহযোগিতায় শুরু করেন সোনালী মুরগির খামার। মুরগির খামারের নাম ভাই ভাই এগ্রো মুরগি ফার্ম।
দুই হাজার সোনালী মুরগির বাচ্চা দিয়ে যাত্রা শুর হয় আকরামের খামারের। তবে শুরুতেই বড় ধরনের লোকসানে পড়েন তিনি। খামারের ২ হাজার বাচ্চার মধ্যে ১৬শ বাচ্চা মারা যায়। লোকসান হলেও ছেড়ে দেননি। ফার্ম নিয়ে লেগে থাকেন আকরাম। একপর্যায়ে সোনালী মুরগি বাদ দিয়ে মিশরীয় ফাউমি জাতের মুরগি তোলেন খামারে। এরপর থেকে আর পিছনে তাকাতে হয়নি তাকে।
ভাই ভাই এগ্রো মুরগি ফার্মের মালিক আকরাম মোল্যা বলেন, বর্তমানে আমার খামারে মোট চার হাজার ফাউমি মুরগি রয়েছে। যা থেকে মাসে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা আয় হচ্ছে। খামারের মূল্য দাড়িয়েছে এখন প্রায় ৪০ লাখ টাকা। প্রতিনিয়ত দূর-দূরান্ত থেকে খামারে নতুন উদ্যোক্তারা আসছেন বাচ্চা সংগ্রহ করতে এবং পরামর্শ নিতে।
নড়াইল জেলা প্রাণি-সম্পদ অফিসার ডা. মো. সিদ্দীকুর রহমান বলেন, বর্তমানে নড়াইলে হাঁস মুরগির খামার রয়েছে ৭১৮টি তারমধ্যে মুরগির খামারই ৫৪৯টি। খামারিদের সব ধারনের প্রশিক্ষণসহ সহায়তা করা হচ্ছে। বেকার যুবকদের ঘুরে না বেড়িয়ে অন্যান্য খামারিদের থেকে অভিজ্ঞতা ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে কারিগরি সহায়তা নিয়ে আকরামের মত উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বাবু/জেএম