প্রকাশ: সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ২:২৮ পিএম আপডেট: ১৮.০৯.২০২৩ ২:৩১ পিএম (ভিজিট : ৫৬১)

X
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মিরুখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার বড় শৌলা গ্রামের রিয়াদুল আহসান পিরোজপুর জেলা প্রশাসক এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মঠবড়িয়া বরাবর মিরুখালী ইউনিয়ন ভূমি উপ- সহকারী কর্মকর্তা খন্দকার মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির লিখিত অভিযোগ করেছেন। মো. রিয়াদুল আহসান বড় শৌলা গ্রামের এএসএম ফারুকের ছেলে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, রিয়াদুল আহসান ও তার বাবা গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২৩ মিরুখালী ভূমি অফিসে ৭৫ শতাংশ জমির খাজনা দিতে গেলে তাদের নিকট ৮ হাজার ৫ শত টাকা দাবি করেন। ব্যাংক ঋণে দাখিলা প্রয়োজন বিধায় বাধ্য হয়ে ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে ৮ হাজার ৫ শত টাকা দেন। কিন্তু তাদের রশিদ (দাখিলা) দেয়া হয় ৮ শত ৪৩ টাকার। তিনি ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
মিরুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আ. কাদের মিয়া জানান, তিনি খাজনা দিতে গেলে ইউনিয়ন ভূমি উপ- সহকারী কর্মকর্তা খন্দকার মফিজুল ইসলাম তার কাছে ১৬ হাজার টাকা দাবি করেন। বিষয়টি তিনি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে জানালে তার নির্দেশে খন্দকার মফিজুল ইসলাম মাত্র ১ হাজার ৬ শত টাকায় তাকে রশিদ দেন। উপজেলার ওয়াহেদাবাদ গ্রামের মো. পিন্টু জমাদ্দারের ছেলে নাজমুল জমাদ্দার জেলা প্রশাসক বরাবর ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা খন্দকার মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণের লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগকারী মো. রিয়াদুল আহসান দুর্নীতির ঘটনা ধামাচাঁপা দেয়ার জন্য একটি প্রভাবশালী মহল তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানান। তিন কর্তৃপক্ষের নিকট সুবিচার দাবি করেন।
অভিযুক্ত ভূমি উপ- সহকারী কর্মকর্তা খন্দকার মফিজুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অভিযোগটি মূলত তার নামে নয় তার অফিস সহায়ক মো. খায়রুল আলমের নামে। বিষয়টি ইতোমধ্যে তাদের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈকত রায়হানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি লিখিত অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ২য় পক্ষের প্রাথমিক শুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২য় শুনানীর পর অভিযোগ প্রমাণিত হলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রিপোর্ট পেশ করা হবে।
বাবু/জেএম