কক্সবাজার মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন সমীক্ষা প্রকল্পের পরামর্শ প্রতিষ্ঠান নিয়োগে চুক্তি স্বাক্ষর

মহিউদ্দিন মাহী, কক্সবাজার

সারাবাংলা

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) ও কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্টের (সিএসসি) মধ্যে কক্সবাজার জেলার মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন (১ম সংশোধিত) শীর্ষক সমীক্ষা

2023-09-27T17:04:47+00:00
2023-09-27T17:04:47+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
কক্সবাজার মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন সমীক্ষা প্রকল্পের পরামর্শ প্রতিষ্ঠান নিয়োগে চুক্তি স্বাক্ষর
মহিউদ্দিন মাহী, কক্সবাজার
প্রকাশ: বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৫:০৪ পিএম   (ভিজিট : ১৭৭)
X

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) ও কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্টের (সিএসসি) মধ্যে কক্সবাজার জেলার মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন (১ম সংশোধিত) শীর্ষক সমীক্ষা প্রকল্পের পরামর্শ প্রতিষ্ঠান নিয়োগ সংক্রান্ত চুক্তিপত্র স্বাক্ষর হয়েছে। এই প্রকল্পে কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্টের সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে সেলট্রন ইএমএস এবং এহসান খান আর্কিটেক্টস।

মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) চুক্তিপত্র স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কউকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর মোহাম্মাদ নুরুল আবছার, লে. কর্নেল মো. খিজির খান, সদস্য (প্রকৌশল) লে. কর্নেল তাহসিন বিন আলম, কক্সবাজার জেলার মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন শীর্ষক সমীক্ষা প্রকল্পের পরিচালক মো. তানভীর হাসান রেজাউল। এ ছাড়া সিএসসি-এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিএসসি-এর ডিরেক্টর (প্ল্যানিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ-আল-মামুন ও কক্সবাজার জেলার মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন শীর্ষক সমীক্ষা প্রকল্পের পরিচালক লে. কর্নেল সাদেক মাহমুদ।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন কক্সবাজার জেলার মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন শীর্ষক সমীক্ষা প্রকল্পটির আওতায় জেলার আটটি উপজেলা (চকরিয়া, পেকুয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, কক্সবাজার সদর, রামু, উখিয়া ও টেকনাফ) এবং সমুদ্রসৈকত এলাকাসহ মোট ৬৯০.৬৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকার ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যান এবং জেলার ২৪৯১.৮৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকার জন্য স্ট্রাকচার প্ল্যান প্রণয়ন করা হবে। 

এ ছাড়া টেকসই যাতায়াত ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, পাহাড়, বন, জলাশয় ও সমুদ্র অঞ্চল সংরক্ষণ, সমুদ্রসৈকতের নির্দিষ্ট সীমানা সংরক্ষণ, অবৈধ ও অপরিকল্পিত স্থাপনা অপসারণ, জল ও স্থলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দূষণ প্রতিরোধ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ, আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন সুবিধা নিশ্চিতকরণ, আবাসন ব্যবস্থা বিষয়ক পরিকল্পনা, সৈকতের সৌন্দর্যবর্ধন ও ভূমিক্ষয় রোধ করা হবে। প্রকল্পটি ২০২২ সালের ২৭ ডিসেম্বর মোট ১৭৪.৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে পরিকল্পনা কমিশন অনুমোদন দেয়। গত ১২ জানুয়ারি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় প্রকল্পটির প্রশাসনিক অনুমোদন দেয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মেয়াদকাল এপ্রিল ২০২১ হতে জুন ২০২৫ পর্যন্ত। 





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy