
X
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ডে পরিকল্পিত নাশকতার করার জন্য কক্সবাজার ঈদগাহ উপজেলা থেকে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা নাশকতা করতে দলীয় সীদ্ধান্তে এসেছিলো সীতাকুণ্ডে। গোপন সংবাদে খবর পেয়ে ওই বিএনপি নেতাসহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সীতাকুণ্ড মডেল থানার পুলিশ।
শনিবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফায়েল আহমেদ।
তথ্য প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যর ভিত্তিতে সীতাকুণ্ড থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে বিএনপির নেতাকর্মীদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, ইকরাম আরাফাত প্রকাশ সায়মন (২৯), পিতা- ইউসুফ আলী, সাং- বড় কুমিরা, মো: ফয়সাল (২০), পিতা- মৃত ফারুক, সাং- হাবিবপুর, সন্দ্বীপ পৌরসভা, মো: রুবেল (২৭), পিতা- মৃত মহরম আলী, মাতা- মৃত মাবিয়া বেগম, সাং- কুমিরা, মিজানুর রহমান (রুবেল) (৩২), পিতা- আব্দুল আহাদ, সাং- ভাটিয়ারী, মামুন (২৮), পিতা- মৃত আব্দুল করিম, বাড়বকুণ্ড, আব্দুস সালাম (৬৩) (ঈদগাঁও ইউনিয় বিএনপির সভাপতি), পিতা- মৃত আব্দুস সোবহান, সাং- দক্ষিণ মাইজ পাড়া, থানা-ঈদগাঁও, জেলা- কক্সবাজার, শওকত আলম (৫৪) (ঈদগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক সেক্রেটারী), পিতা-মৃত সুলতান আহম্মদ, সাং-দক্ষিণ লড়াবাক, জেলা- কক্সবাজার, মোঃ মঞ্জুর আলম (৫৩) (ঈদগাঁও উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা), পিতা-মৃত হাজী সৈয়দ আলী, মাতা- ছমন খাতুন, সাং- উত্তর নাপিতখালী, থানা- ঈদগাঁও, জেলা-কক্সবাজার, ওমর ফরুক লিটন (৩২) (জালালাবাদ ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক), পিতা-মৃত হাবিব উল্লাহ, সাং-বাহারচরা , থানা- ঈদগাঁও, জেলা- কক্সবাজার, মোস্তফা কামাল (৪৫) (চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি), পিতা-মৃত কাদের হোসেন, সাং- উত্তর পাড়া, থানা-কক্সবাজার সদর, জেলা-কক্সবাজার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন (৪৫), পিতা মৃত আমিনুল হক, সাং- দক্ষিণ সলিমপুর মাধব পন্ডিত বাড়ী, ফকিরহাট, সীতাকুণ্ড, এস এম লোকমান হাকিম (৬৫), উপজেলা ভাইস প্রেসিডেন্ট বিএনপি, পিতা মৃত আব্দুল নবী সওদাগর, সাং- কাজীপাড়া, দক্ষিণ সলিমপুর ফকিরহাট, সীতাকুণ্ড, মোঃ মোস্তাকিম (৩৫), ওয়ার্ড বিএনপি সদস্য, পিতা মৃত মত মিয়া সওদাগর, সাং- কাজীপাড়া, ফকিরহাট, দক্ষিণ সলিমপুর, সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম, মোহাম্মদ রহিম (৪৮), সলিমপুর ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি'র সহ সভাপতি, পিতা মৃত নুরুল আমিন, সাং- ফকিরহাট, দক্ষিণ সলিমপুর, থানা- সীতাকুণ্ড।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফায়েল আহমেদ বলেন, কক্সবাজার ঈদগাহ উপজেলা থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ডে পরিকল্পিতভাবে নাশকতা করতে এসেছিলো। তাদের দলীয় সীদ্ধান্ত ছিলো এক উপজেলা নেতারা অন্য উপজেলায় গিয়ে নাশকতা করবে। দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করবে। কিন্তু গোপন সংবাদে খবর পেয়ে ঈদগাহ উপজেলা বিএনপির নেতাসহ ১৪জনকে গ্রেপ্তার করে রোববার আদালতের মাধ্যমে হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আন্দোলন রাজনৈতিক অধিকার। তবে হরতালের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। মানুষের জানমালের ক্ষতি হবে এমন কিছু মেনে নেওয়া হবে না। শান্তি সৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে পুলিশের সর্বোচ্চ সর্তক অবস্থায় রয়েছে বলে জানান।
এদিকে সীতাকুণ্ড উপজেলা যুবদলের আহবায়ক ফজলুল করিম চৌধুরী বলেন, শনিবার রাতে পুলিশের একটি দল বিএনপির অনেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়কের বাঁশবাড়িয়া এলাকার বাড়িতে তল্লাসীর নামে হয়রানী ও আসবাবপত্র তছনছ করেছে। বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গ্রেপ্তার ও হয়রানীর নিন্দা জানিয়েছেন তিনি।