প্রকাশ: বুধবার, ১ নভেম্বর, ২০২৩, ৮:১১ পিএম (ভিজিট : ২৪৬)

X
চলমান রাজনৈতিক হরতাল-অবরোধে চরম প্রভাব পড়ছে কক্সবাজার পর্যটন শিল্পে। আবাসিক হোটেল-মোঢেল, রেস্টুরেন্টে পর্যটক নেই বললেই চলে। শীতের শুরুতে যে সমুদ্র ভরপুর পর্যটক থাকার কথা সেখানে রয়েছে গুটিকয়েক পর্যটক।
কক্সবাজারে রাজনৈতিক অস্থিরতা না থাকলেও দূরপাল্লার কোন বাস ছাড়ছে না। আর ঢাকা ও অন্যান্য বাইরে থেকে কক্সবাজারেও ঢুকছে না কোন যাত্রাবাহী গাড়ি। তবে আকাশ পথ স্বাভাবিক থাকায় স্বল্প কিছু পর্যটক আসা-যাওয়া করছে। ঢাকা-কক্সবাজার আকাশ পথে যাতায়ত করছে ২২ টি বিমান। এসব বিমানে প্রায় ২ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন বলে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক গোলাম মর্তুজা। তবে এই মুহুর্তে কক্সবাজারের হোটেল মোঢেল জোন অনেকটা ফাঁকা এই তথ্য দিচ্ছেন কক্সবাজার ট্যুরিজম সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান।
তিনি জানান, অবরোধের পর থেকে হোটেল-মোটেল জোনের হোটেলগুলোতে প্রায় ৯৫ শতাংশ কক্ষই ছিল খালি। তার নিজের মালিকানাধীন হোটেল ডায়মন্ডেও কয়েকটি কক্ষে পর্যটক ছিলো। বর্তমানে কক্সবাজারে একাবারেই পর্যটক নেই বলা যাবে না। তবে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পর্যটকরা আতংকে কক্সবাজারে আসছে না।
এদিকে কক্সবাজারে সরকারি অফিস-আদালত, ব্যাংক-বিমার কার্যক্রমও যথারীতি খোলা ছিল। কক্সবাজার জেলা সদর থেকে মাইক্রোবাস ও সিএনজি ট্যাক্সিসহ অন্যান্য ছোট যানবাহনগুলো উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিনা বাধায় চলাচল করেছে।
সী-ক্রুজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানান, টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-পথেও চলাচলকারী তিনটি জাহাজের মধ্যে গতকাল দুইটি চলাচল করেছে এবং সেগুলোতে প্রায় ৭০০ পর্যটক সেন্টমার্টিন আসা-যাওয়া করেছে।
কক্সবাজার রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি ও জেলা জাসদ সভাপতি নঈমুল হক চৌধুরী টুটুল জানান, চলমান অবরোধে কক্সবাজার পর্যটন শিল্পে প্রভাব পড়েছে। কক্সবাজারে যে সকল পর্যটক ছিলো ৩০ অক্টোবর ৯০ শতাংশ পর্যটক কক্সবাজার ত্যাগ করেছেন। দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ থাকায় পর্যটন শিল্পে ব্যাপক বিরূপ প্রভাব পড়েছে। সাগরপাড়ের রেস্তোরাঁগুলো এখন লোকসান গুণছে।