প্রকাশ: শুক্রবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৩, ৮:০৫ পিএম (ভিজিট : ১৩৪)

X
বিএনপির সমাবেশ কেন্দ্র করে পুলিশ হত্যা, সংঘর্ষ ও জ্বালাও-পোড়াওয়ের পর উত্তপ্ত দেশের রাজনীতির মাঠ। এরপর ফের হরতাল ও অবরোধের ডাক দেয় বিএনপি-জামায়াত। কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীসহ অনেক জায়গায় বিক্ষপ্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আগুন দেওয়া হয় গাড়িতে।
এসব ঘটনায় দায়ের করা মামলায় চলছে গ্রেপ্তার অভিযান। বিএনপি-জামায়াতের শতশত নেতাকর্মী এরই মধ্যে ধরা পড়েছেন। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি বন্দি রয়েছে কেরাণীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে। সেখানে চাপ কমাতে কিছু কিছু বন্দি স্থানান্তর করা হচ্ছে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুভাষ কুমার বলেন, ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দি ধারণক্ষমতা চার হাজার ৫৯০ জন। বর্তমানে ১১ হাজারের বেশি বন্দি রয়েছে সেখানে। সম্প্রতি বন্দির সংখ্যা আরও বেড়েছে। কাশিমপুর কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা একটা সমন্বয় করে প্রতিদিন কিছু কিছু সেখানে পাঠাচ্ছি। আগে থেকেই ঢাকার বন্দিরা কাশিমপুর কারাগারে থাকেন। এখন সেই সমন্বয়টা আরও সুন্দরভাবে করছি।’
সুপার সুভাষ কুমার জানান, গত কয়েক দিন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো বন্দিদের মধ্যে বেশিরভাগই বিভিন্ন নাশকতা ও জ্বালাও-পোড়াও মামলার আসামি। সহিংসতার মামলার গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। আবার কেউ কেউ আছেন পুলিশের রিমাণ্ডে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, ২১ অক্টোবর ৩১ জন, ২২ অক্টোবর ৪২ জন, ২৩ অক্টোবর ৪২ জন, ২৪ অক্টোবর ৮৫ জন, ২৫ অক্টোবর ১১১ জন, ২৬ অক্টোবর ২০২ জন, ২৭ অক্টোবর ৩৪০ জন, ২৮ অক্টোবর ৬৯৬ জন, ২৯ অক্টোবর ২৫৬ জন, ৩০ অক্টোবর ১৫৮ জন, ৩১ অক্টোবর ১৪১ এবং সর্বশেষ ১ নভেম্বর ৯৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।