প্রকাশ: রোববার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৩, ২:০৫ পিএম (ভিজিট : ২৭১)

X
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে দ্বন্দ্বে হামলা চালিয়ে বাবুল আক্তার (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। শনিবার রাত ৯টার দিকে গুরুদাসপুরের বিন্যাবাড়ি বাজার এলাকায় ওই হামলার ঘটনাটি ঘটে। এসময় স্থানীয়রা আহত অবস্থায় বাবুলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় রবিবার দুপুরে তিনজনকে অভিযুক্ত করে গুরুদাসপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বাবুল আক্তার। তিনি উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বেড়গঙ্গারামপুর গ্রামের বাসিন্দা। একই এলাকার বাসিন্দা নাজুমল ইসলাম ও জসিম উদ্দিনসহ ৪ জন বাবুল অক্তারের ওপর হামলা চালান। অভিযুক্তরা সরকারি বঙ্গবন্ধু টেকনিক্যাল বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি এন্ড বিএম ইন্সিটিটিউটের কর্মরত আছেন। নিজেকে একই কলেজের অধ্যক্ষ দাবি করছেন আহত বাবুল আক্তার ও সাইদুল ইসলাম সাঈদ।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাবুল আক্তার বলেন, কলেজ নিয়ে সাইদুল ইসলাম সাঈদের সাথে তার দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব। অভিযুক্ত নাজমুল ওই প্রতিষ্ঠানের ল্যাব সহকারি এবং জসিম অফিস সহকারী হিসেবে দাবি করেন। মূলত পূর্ববিরোধের জেরে ওই দুইজনকে দিয়ে সাঈদ তার ওপরে হামলা করিয়েছেন। এরআগেও একই ব্যক্তিরা তাকে বিভিন্নভাবে হুমকিও দিয়েছেন।
তিনি বলেন, শনিবার রাত ৯টার দিকে বিন্যাবাড়ি বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। সেসময় তার কাছে জমি লীজের কিছু টাকাও ছিল। বাজারের অদূরে তার ওপরে অর্তিকিত হামলা চালান অভিযুক্তরা। তার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করা হয়। লাঠি দিয়ে শরীরে এলোপাথারী মারপিটও করা হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ইমন আক্তার বলেন, বাবুল আক্তারের বাম কানের নিচে জখম আছে। এক্সরে রিপোর্ট আসলে আঘাতের বিষয়ে বলা যাবে। এছাড়া শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
অভিযুক্ত নাজমুল ও জসিম উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনার সময় তারা বিন্যাবাড়ি বাজারে ছিলেন। তবে ঘটনার সাথে জড়িত নন। মূলত কলেজ নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকায় তাদের বিরুদ্ধে মারপিটের অভিযোগ আনা হচ্ছে।
অভিযুক্ত সাইদুল ইসলাম সাঈদ বলেন, তিনি ঢাকায় আছেন। হামলার ঘটনা শুনেছি। ওই হামলায় তিনি বা তার প্রতিষ্ঠানের কোনো ব্যক্তি জড়িত নন।
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোনোয়ারুজ্জামান বলেন, মারপিটের অভিযোগটি তিনি হাতে পাননি। পেলে আইনি ব্যবস্থা নেবেন।#