আদালতে আত্মসমর্পণের পর আবার কারাগারে সাবেক মেয়র মুক্তি

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

সারাবাংলা

আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি আদালতে

2023-11-28T17:00:02+00:00
2023-11-28T17:00:02+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
টাঙ্গাইলে আ.লীগ নেতা হত্যা মামলা
আদালতে আত্মসমর্পণের পর আবার কারাগারে সাবেক মেয়র মুক্তি
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৩, ৫:০০ পিএম   (ভিজিট : ১৬২)
X

আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি আদালতে আত্মসমর্পনের পর আবার কারাগারে গেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারক মোস্তফা শাহরিয়ার খান তাকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌশুলী মনিরুল ইসলাম খান বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে মুক্তি আদালতে আত্মসমর্পন করেন। পরে আদালতের বিচারক তাকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে গত ২০ নভেম্বর উচ্চ আদালত থেকে মুক্তি ছয় মাসের অন্তর্বতীকালীন জামিন পেয়ে ২২ নভেম্বর কারামুক্ত হয়েছিলেন।

আদালত সূত্র জানায়, গত ২৬ নভেম্বর আপিল বিভাগের আদেশের তথ্য গোপনসহ মুক্তির জামিন আবেদন ঘিরে কিছু অসংগতির অভিযোগ তুলে রাষ্ট্রপক্ষ। তার প্রেক্ষিতে মুক্তির জামিনাদেশ প্রত্যাহার করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি রেজাউল হাসান ও বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ওই বেঞ্চ ৪৮ ঘন্টার মধ্যে মুক্তিকে টাঙ্গাইলের বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পনের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

এর আগে আপিল বিভাগ গত ২৭ আগস্ট এক আদেশে সম্ভাব্য ছয় মাসের মধ্যে মামলাটির বিচার কাজ শেষ করতে বিচারিক আদালতে নির্দেশ দেন। এতে তথ্য গোপন বিষয়টি নজরে শুনানী নিয়ে হাইকোর্ট আত্মসমর্পনের ওই আদেশ দেন।

গত ২২ নভেম্বর কারামুক্ত হওয়ার পর মুক্তি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। মঙ্গলবার দুপুরে হুইল চেয়ারে বসে মুক্তি আদালতে আসেন। এ সময় তার বাবা টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান এবং তার ভাই সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা তার সঙ্গে ছিলেন।

২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর মুক্তি আদালতে আত্মসমর্পন করেন। আদালত তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। মাঝে গত বছর অন্তর্বতী জামিন ১৮ দিন কারাগারের বাইরে ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজ পাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে পুলিশ আনিসুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে। এই দুজনের দেওয়া স্বীকারোক্তিতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র মুক্তি রহমান, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খানের জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে আমানুর রহমান ও অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বর্তমানে মামলাটি স্বাক্ষী গ্রহণ চলছে।








Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy