প্রকাশ: বুধবার, ২৭ মার্চ, ২০২৪, ৪:০৬ পিএম আপডেট: ২৭.০৩.২০২৪ ৬:১০ পিএম (ভিজিট : ৪৬৪)

X
সিনেমায় তার অভিষেক গর্ব করার মতো। তাঁরা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। হয়েছিলেন প্রশংসিত। কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়, তাই মুক্তির পরে অনেকে ভেবেছিলেন ছবিগুলো তাঁদের ভাগ্য বদলে দেবে। কিন্তু সেই আশার যেন গুড়ে বালি। বলছি ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ সিনেমার আফনান চৌধুরী, ‘শোভনের স্বাধীনতা’ সিনেমার রুদ্র রায়হান ও ‘অনিল বাগচির একদিন’ সিনেমার আরেফ সৈয়দের কথা।
তাঁরা কেউ কেউ অনেক চেষ্টা করেও অভিনয় অঙ্গনে টিকে থাকতে পারেননি। এখন কেউ স্বপ্ন দেখেন ভবিষ্যতে নির্মাতা হওয়ার, কেউ বড় কর্মকর্তা হতে চান। কেউ টিকে থাকতে চাকরির পাশাপাশি অভিনয় করে যেতে চান। যেমন চেয়েছিলেন ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ সিনেমার আফনান চৌধুরী।
‘আমার বন্ধু রাশেদ’ ছবিতে অভিনয় করেছেন সেই সময়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া আফনান। সিনেমা মুক্তির পর সবার কাছে হয়ে যান রাশেদ। সিনেমা মুক্তির পর অপরিচিত আফনানের পরিচিতি বাড়তে থাকে, যেখানেই যেতেন, অনেকে ছুটে আসত, ‘রাশেদ ভাই, একটা ছবি তুলব’। পরিচিতরাও ‘রাশেদ’ বলে ডাকতেন। এক যুগ পেরিয়ে এখন আর দর্শকেরা সেই রাশেদকে তেমন একটা চিনতে পারেন না। চিনলেও সংখ্যায় খুবই কম।
আফনানকে না চেনার কারণ তিনিও আর সেই অর্থে অভিনয়ে নেই। তিনি জানান, তাঁর অভিনয় করার কোনো ইচ্ছাই ছিল না। ফোন নম্বর দিয়ে স্কুল থেকে এমনিতেই গিয়েছিলেন অডিশন দিতে। পরে তিনি জানতে পারেন, জাফর ইকবালের মুক্তিযুদ্ধের এই ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ডাক পড়েছে।
‘আমি কীভাবে অভিনয় করব?’ পরে পরিচালক মোরশেদুল ইসলামের টিমের সঙ্গে এক মাসের গ্রুমিং হয়। রাশেদ চরিত্রের জন্যও প্রস্তুত হন। এ প্রসঙ্গে আফনান জানান, তিনি ন্যাচারাল অভিনয় করার চেষ্টা করেছেন। তাঁর কোনো পূর্ব প্রস্তুতি ছিল না। ছবিটি করতে গিয়ে অভিনয়কে ভালোবাসতে শুরু করেন।
পরে আফনান ভেবেছিলেন, হয়তো অভিনয়টাই করে যাবেন। সে আশা পূরণ হয়নি। বলা যায় সুযোগ না পাওয়ায় হতাশ। এই সময়ে তিনি তেমন কোনো গল্পের চিত্রনাট্য পাননি। কিছু বিজ্ঞাপনচিত্রে অভিনয় করলেও সেগুলো মনের মতো হয়নি। ভবিষ্যৎ মিডিয়ায় থাকার ইচ্ছা আছে কি না এ নিয়ে জানতে চাইলে এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, ‘রাশেদ চরিত্র করতে গিয়ে অনেক মজার অভিজ্ঞতা হয়েছিল। তখন অভিনয়টা কিছুটা শেখা হয়েছে। এটা বেশ উপভোগও করি। তবে অভিনয় নয়, ভবিষ্যতে পরিচালনার ইচ্ছা আছে।’