সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে বাংলাদেশি আশ্রয়প্রার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইউরোপীয় ইউনিয়ন অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে, যা বাংলাদেশি আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ইইউ

2025-12-10T11:00:42+00:00
2025-12-10T11:00:42+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
ইইউর নতুন অভিবাসন নীতি
সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে বাংলাদেশি আশ্রয়প্রার্থীরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:০০ এএম   (ভিজিট : ৬০)
X

ইউরোপীয় ইউনিয়ন অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে, যা বাংলাদেশি আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ইইউ কাউন্সিল অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের দ্রুত ফেরত পাঠানো, কঠোর নজরদারি এবং আশ্রয় আবেদন দ্রুত প্রত্যাখ্যানের জন্য নতুন আইনি অবস্থান গৃহীত করেছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো প্রথমবারের মতো একটি যৌথ ‘নিরাপদ দেশের তালিকা’ প্রণয়ন করা, যেখানে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি ইইউর তালিকাভুক্ত নিরাপদ দেশ থেকে এলে তার আশ্রয় আবেদন প্রাথমিক পর্যায়েই দ্রুত বাতিল করা যাবে। ফলে বাংলাদেশি আবেদনকারীরা দীর্ঘ ব্যাখ্যার সুযোগ বা বিস্তারিত পর্যালোচনার সুবিধা আর পাবেন না। আশ্রয় আইনজীবীরা বলছেন, এতে আন্তর্জাতিক সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার সংকুচিত হবে।

নতুন রিটার্ন রেগুলেশন ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াকে আরও কঠোর করছে। অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের পরিচয়পত্র, বায়োমেট্রিক তথ্য এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাধ্যতামূলক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে। ফেরত আদেশ অমান্য করলে কাজের অনুমতি বাতিল, আর্থিক সুবিধা বন্ধ, এমনকি কারাবাস পর্যন্ত হতে পারে। আরও কঠোরভাবে, ‘ইউরোপীয় রিটার্ন অর্ডার’ চালু হলে এক দেশে দেওয়া ফেরত আদেশ সব ইইউ দেশে কার্যকর হবে।

এ নীতির আওতায় তৃতীয় দেশে ‘রিটার্ন হাব’ তৈরির সুযোগও রাখা হয়েছে। সেখানে প্রত্যাখ্যাত আশ্রয়প্রার্থীদের সাময়িকভাবে রাখা হবে এবং সেখান থেকেই নিজ দেশ বা অন্য দেশে ফেরত পাঠানো হবে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই ব্যবস্থাকে ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিশ্চিত বলে সমালোচনা করছে।

বাংলাদেশকে নিরাপদ দেশ ঘোষণা করা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে অনেক বিশেষজ্ঞ। রাজনৈতিক অস্থিরতা, মত প্রকাশের সীমাবদ্ধতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তালিকায় বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করাকে অনেকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত মনে করছেন। এতে প্রকৃত ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশিদের আবেদনও সহজে প্রত্যাখ্যাত হতে পারে।

নীতিগুলো এখন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ভোটের অপেক্ষায়, অনুমোদন পেলে ২০২৬ সাল থেকে কার্যকর হবে। লন্ডনের ব্যারিস্টার সালাহ উদ্দীন সুমন বলেন, “এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশি অ্যাসাইলাম প্রত্যাশীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ।”




  বিষয়:   ইইউ  অভিবাসন নীতি  বাংলাদেশ  ইউরোপীয় ইউনিয়ন অভিবান 



Loading...
Loading...


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy