প্রকাশ: বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:৩১ পিএম (ভিজিট : ৫৪)

X
২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসী ফেরত অভিযান আরও জোরালো হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। ক্ষমতার প্রথম বছরেই ব্যাপক নির্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। এক বছরের মধ্যে সব অবৈধ অভিবাসীকে ফেরত পাঠানোর লক্ষ্য বাস্তবসম্মত না হলেও, ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট’ থেকে পাওয়া অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে জনবল নিয়োগ, আটককেন্দ্র সম্প্রসারণ, নির্বাসন ফ্লাইট ও নজরদারি প্রযুক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
নির্বাসনের অপেক্ষায় থাকা অভিবাসীদের জন্য পুরোনো কারাগার পুনরায় চালু এবং নতুন আটককেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ চলছে। ফ্লোরিডার ‘অ্যালিগেটর আলকাট্রাজ’ বা টেক্সাসের সামরিক ঘাঁটিতে অস্থায়ী তাঁবু শিবিরের মতো ব্যবস্থাও বাড়তে পারে। এসব কেন্দ্রে মানবাধিকার তদারকির ক্ষমতা কমে যাওয়ায় পরিবেশ আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।
ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) নতুন করে এজেন্ট নিয়োগ করছে। লস অ্যাঞ্জেলেস ও শিকাগোর মতো ‘স্যাংচুয়ারি সিটি’তে অভিযান জোরদার হতে পারে। সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের ফলে ডেমোক্র্যাট-শাসিত এলাকাতেও নির্বিচার গ্রেফতার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা সংঘর্ষের ঝুঁকি তৈরি করছে।
তবে চাপও বাড়ছে। আইসিই অভিযানের ভয়ে শ্রমিক সংকটে পড়ছে কৃষি ও হোটেল খাত। পাশাপাশি, মুখোশধারী এজেন্টদের হাতে মানুষ আটক হওয়ার দৃশ্য জনসমর্থন কমাচ্ছে। আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচন এই নীতির বড় পরীক্ষা হয়ে উঠবে। কঠোর অবস্থান ট্রাম্প ধরে রাখেন, নাকি রাজনৈতিক চাপে কিছুটা শিথিল করেন, সেদিকেই নজর থাকবে নতুন বছরে।