চৌফলদন্ডীতে বাইন-কেওড়া গাছ কেটে গড়ে তোলা হচ্ছে চিংড়ি ঘের

ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকা চৌফলদন্ডী ইউনিয়নে প্যারাবন কেটে চিংড়ি ঘের গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া এলাকায় ইতোমধ্যে অন্তত

2026-01-01T15:04:40+00:00
2026-01-01T15:04:40+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
চৌফলদন্ডীতে বাইন-কেওড়া গাছ কেটে গড়ে তোলা হচ্ছে চিংড়ি ঘের
ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:০৪ পিএম   (ভিজিট : ২৭৩)
X

কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকা চৌফলদন্ডী ইউনিয়নে প্যারাবন কেটে চিংড়ি ঘের গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া এলাকায় ইতোমধ্যে অন্তত পাঁচ হাজার বাইন ও কেওড়া গাছ কেটে প্রায় ২০ একর সরকারি জমি দখল করা হয়েছে। স্থানীয় একটি সংঘবদ্ধ চক্র গত তিন দিন ধরে এ পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেলেও বন বিভাগের পক্ষ থেকে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কক্সবাজার উপকূলীয় বন বিভাগের স্থানীয় কিছু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেই প্যারাবন ধ্বংসের এ কাজ চালানো হচ্ছে।

বন বিভাগ সূত্র জানায়, প্যারাবন বা ম্যানগ্রোভ বন উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে উপকূল রক্ষায় ঢাল হিসেবে কাজ করে। পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, ভূমিক্ষয় রোধ এবং পরিবেশ ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে প্যারাবনের ভূমিকা অপরিসীম।

সরেজমিনে দেখা যায়, চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া এলাকায় প্রায় ১০ কিলোমিটারজুড়ে বাইন ও কেওড়া গাছসমৃদ্ধ প্যারাবন রয়েছে। এর মধ্য থেকে প্রায় ২০ একর জায়গা দখল করে চারপাশে সীমানা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। দখলকৃত এলাকায় থাকা অন্তত পাঁচ হাজার গাছ ইতোমধ্যে কেটে ফেলা হয়েছে।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, চিংড়ি ঘের তৈরির উদ্দেশ্যে গত রোববার থেকে গাছ কাটা ও সরকারি জমি দখলের কাজ শুরু হয়। খবর পেয়ে ওই দিন উপকূলীয় বন বিভাগের পোকখালী বিট কর্মকর্তা মৃনাল ভাওয়াল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে পরবর্তীতে ভূমিদস্যু চক্রটি বন বিভাগের বিট ও রেঞ্জ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে নেয়। ফলে চার দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে পোকখালী বিট কর্মকর্তা মৃনাল ভাওয়াল বলেন, “ঘটনাস্থলে গিয়ে কিছু গাছ কাটার দৃশ্য দেখেছি। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

গোরকঘাটা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আইয়ুব আলী বলেন, “বন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং গাছ কাটার সত্যতা পেয়েছি। তবে জড়িতদের নাম-পরিচয় না পাওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে দেরি হচ্ছে।”

চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) এম এ হাসান বলেন, “গাছ কাটার বিষয়টি আগে জানা ছিল না। এখন শোনার পর জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট এসিএফকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy