প্রকাশ: রোববার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৪৫ পিএম (ভিজিট : ১০৫)

X
উপকূলীয় জলো বরগুনার আমতলী উপজলোর গ্রামাঞ্চলে তরমুজ গাছরে পরর্চিযায় ব্যস্ত সময় পার করছনে কৃষকরা। এখন যনে ঘরে বসে থাকার সুযোগ নইে কারও। পুরুষদরে পাশাপাশি পরবিাররে নারী সদস্য ও শশিুরাও মাঠে নমেে পড়ছেনে তরমুজরে পরর্চিযায়।
উপজলো কৃষি অফসি সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তরমুজ চাষরে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়ছেলি ২ হাজার ৫শ হক্টের। তবে কৃষকদরে আগ্রহ ও অনুকূল পরবিশেরে কারণে আবাদ হয়ছেে ৪ হাজার হক্টেররেও বশেি জমতি।দোআঁশ মাটি তরমুজ চাষরে জন্য উপযোগী হওয়ায় এ উপজলোয় রসালো তরমুজরে ফলন ভালো হয়ে থাক।
উপজলোর সাতটি ইউনয়িনরে মধ্যে আঠারোগাছয়িা, কুকুয়া, হলদয়িা, চাওড়া ও সদর ইউনয়িনে তরমুজরে আবাদ ও ফলন বশেি হয়। কৃষকরা ইতোমধ্যে জমি প্রস্তুত করে বীজ রোপণ শষে করছেনে। র্বতমানে চারাগুলো বড় হওয়ায় পরর্চিযায় ব্যস্ত সময় পার করছনে তারা।
সরজেমনিে চাওড়া, গুলশিাখালী, সোনাখালী, গাজীপুর, পাতাকাটা, চন্দ্রা, উত্তর ও দক্ষণি রাওঘা, কুকুয়াহাট ও কৃষ্ণনগর গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে মাঠের পর মাঠ জুড়ে তরমুজ চাষ করা হয়ছে। পরর্চিযার কাজে পুরুষদরে পাশাপাশি নারী ও শিশুরা অংশ নিয়েছে।
গুলশিাখালী গ্রামরে চাষি রাজ্জাক হাওলাদার বলনে, বীজরে দাম কম থাকায় এ বছর তরমুজ চাষে খরচ কছিুটা কম হব। খোকা ময়িা বলনে, টানা কয়কে বছর লোকসান হলওে ভালো ফলনরে আশায় এবারও ছয় একর জমতিে তরমুজ চাষ করছেনে। সোনাখালী গ্রামরে হারুন তালুকদার জানান, তিনি এ বছর ছয় একর জমতিে তরমুজ আবাদ করছেনে।
আমতলী উপজলো কৃষি র্কমর্কতা মো. রাসলে বলনে, এ অঞ্চলরে মাটি ও আবহাওয়া তরমুজ চাষরে জন্য উপযোগী হওয়ায় কৃষকরা ব্যাপকভাবে এ চাষে ঝুঁকছনে। তিনি আরও বলেন লক্ষ্যমাত্রার চয়েে অনকে বশেি জমিতে তরমুজ আবাদ হয়ছেে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনরে আশা করা যাচ্ছে।