প্রকাশ: বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:৪০ পিএম (ভিজিট : ৮০)

X
নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের নয়াটোলা চাঁদনগর এলাকার এনজিও কর্মী শেলী ও পল্লী চিকিৎসক খোকন দম্পতির বাড়ি থেকে আটক এক পতিতাসহ ২ খদ্দেরকে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারী) বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক সৈয়দপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহদী ইমাম প্রত্যেককে ৩০দিনের সশ্রম কারাদন্ড ও ২হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন। জরিমানা আদায় করে ৩ আসামিকে ওইদিনই নীলফামারী কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সৈয়দপুর থানার দারোগা আশরাফুল হক জানান, এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে নয়াটোলা চাঁদনগর এলাকার এনজিও কর্মী শেলী ও পল্লী চিকিৎসক খোকন দম্পতির বাড়ি থেকে অভিযান চালিয়ে মো. লিপন (২০), খয়রুল ইসলাম (২২) ও আফরোজা খাতুন (২৩) নামে তিনজনকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে আটক করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ির মালিক শেলী ও খোকন দম্পতি পালিয়ে যায়। পরে আটককৃতদের ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হলে আদালতের বিচারক উপরোক্ত সাজা প্রদান করে এবং তাদেরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
অভিযানে আটক নারীর নাম আফরোজা খাতুন (২৩)। তিনি সৈয়দপুর পৌর শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের কাজীপাড়া এলাকার মমিন হোসেন পাটোয়ারীর স্বামী পরিত্যক্তা মেয়ে। তিনি উত্তরা ইপিজেডের একটি ফ্যাক্টরীতে কাজ করেন। তার দুইটি সন্তান রয়েছে। ।
আর আটক খদ্দের ২ যুবক হলো নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটি বাজার এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে মো. লিপন (২০) ও একই এলাকার ডাঙ্গাপাড়ার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে খয়রুল ইসলাম (২২)।
এদিকে, এলাকাবাসীর অভিযোগ শেলী ও খোকন দম্পতির বাসায় নিয়মিত এ অসামাজিক কাজ চলে। বাড়ির একটা রুমে বাইরে থেকে নারী এনে খদ্দের সংগ্রহ করে দীর্ঘদিন থেকে তারা এই অপকর্ম চালালেও থানা পুলিশ অজ্ঞাত কারণে কোনো ব্যবস্থাই গ্রহণ করছেন না। তাই, তারা প্রশাসনের উচ্চতর মহলের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।