
X
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কেবল একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না; তিনি ছিলেন শক্তি, দৃঢ় সংকল্প ও দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতীক। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তার প্রভাব দীর্ঘ সময় ধরে অনুভূত হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির নির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়া এসব কথা বলেন। শনিবার আখাউড়া উপজেলার বনগজ এলাকায় বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কবীর আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে ঐক্যের রাজনীতি শুরু করেছেন, তা শুধু কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। গ্রাম, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত এই ঐক্য ছড়িয়ে দিতে হবে। কারণ বিএনপির প্রকৃত শক্তি তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
নিজের রাজনৈতিক অবস্থানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, অতীতে স্বৈরাচারী কুশাসনের সময় কুখ্যাত অবৈধ আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তিনি জীবন বাজি রেখে রাজপথে ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। মানুষের শান্তি, এলাকার উন্নয়ন, রাজনৈতিক শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠাই তাঁর রাজনীতির মূল লক্ষ্য বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, জিয়া পরিবার বাংলাদেশের রাজনীতির এক অস্বীকারযোগ্য বাস্তবতা। নানা অবিচার ও ষড়যন্ত্রের শিকার হলেও দেশের প্রতি তাঁদের ভালোবাসা, গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম এবং মানুষের প্রতি আন্তরিকতা আজও জনগণের হৃদয়ে অম্লান হয়ে রয়েছে।
হাজী নুর মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে আখাউড়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া, সৈয়দ খান সরদার, সুমন মিয়া, আবু হানিফ, আবু বক্কর মেম্বার, মঙ্গল মিয়া, সেলিম মোল্লা ও রওশন আলী বেপারীসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন আবদু, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম ভূঁইয়া, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আকতার খান, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোহসীন, কৃষক দলের আহ্বায়ক আমজাদ খান ও সদস্য সচিব বাহাদুর তিতাস, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল হাসান সানি, বর্তমান সভাপতি ইমরান মোল্লা ও সদস্য সচিব মোবারক মিয়া।
অনুষ্ঠানের শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।