প্রকাশ: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৫৮ পিএম আপডেট: ১৭.০১.২০২৬ ৯:০১ পিএম (ভিজিট : ১৭৫)

X
বাড্ডা, মিরপুর, ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী থেকে চার নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে আজ শনিবার সকালের মধ্যে এই মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য চারটি মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
যাত্রাবাড়ী কোনাপাড়া আদর্শবাগ এলাকার একটি বাসা থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় আশা আক্তার (২৯) নামের এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর ভাই আব্দুল্লাহ আকাশ গণমাধ্যমকে জানান, আশা একটি পারলারে চাকরি করতেন। তাঁর প্রথম স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে গেছে। সেই সংসারে এক মেয়ে রয়েছে। পরে অন্য এক ছেলের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। সেই সম্পর্কে টানাপোড়েনের কারণে শুক্রবার রাতে বাসায় গলায় ফাঁস দেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশের সহযোগিতায় তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। আশা আক্তারের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায়। বাবার নাম আব্দুল কালাম।
ডেমরার পূর্ব বক্সনগর এলাকার একটি বাড়ি থেকে কোহিনূর (৩৬) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গতকাল শুক্রবার রাত ৩টার দিকে ডেমরা থানা-পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ঢামেকে হাসপাতালে পাঠায়। তাঁর বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলায়।
মিরপুরের ১০ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় গলার ফাঁস দেয় সানজিদা ইসলাম মিম (১৯) নামের এক তরুণী। আজ শনিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢামেকে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেকের মর্গে রাখা হয়েছে।
অপর দিকে, বাড্ডা থানার আফতাবনগর বাঘাপুর এলাকার একটি বাড়ি থেকে সুবর্ণা খাতুন (৩০) নামে আরেক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
সুরতহাল প্রতিবেদনে বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফাতেমা সিদ্দিকা সোমা জানান, ওই বাসায় স্বামীর সঙ্গে থাকতেন সুবর্ণা। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের জেরে গতকাল রাতে তিনি গলার ফাঁস দেন। খবর পেয়ে রাত দেড়টার দিকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।