
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে ভালুকায় মাঠে রয়েছে উপজেলা প্রশাসনের কঠোর তৎপরতা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মোঃ ফিরোজ হোসেন দিনরাত যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছেন।
নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে নির্বাচনের মাঠ তদারকির পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন তিনি। শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কেন্দ্রভিত্তিক সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এদিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইকবাল হোসাইন নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন। আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে বিভিন্ন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের জরিমানা করা হয়েছে, যা নির্বাচনী মাঠে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মোঃ ফিরোজ হোসেন বলেন, “সামনে জাতীয় নির্বাচন। যাতে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা যায় এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। কেন্দ্রভিত্তিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
গণভোটে ভোটারদের সচেতন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সভা ও আলোচনা, পাড়া-মহল্লায় লিফলেট বিতরণ, সরকারি দপ্তর, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পৌরসভাসহ জনবহুল স্থানে ব্যানার ও বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৫৬ ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন— মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (গণ অধিকার পরিষদ) ট্রাক প্রতীক,ফখর উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি) ধানের শীষ প্রতীক,মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম (স্বতন্ত্র) হরিণ প্রতীক,জাহিদুল ইসলাম (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীক,মোঃ মোস্তফা কামাল (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) হাতপাখা প্রতীক।
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) নির্বাচনী এলাকায় রয়েছে ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা। মোট ১০৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে মহিলা ৭টি, পুরুষ ৭টি এবং সাধারণ ৯৩টি কেন্দ্র রয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ জন, যারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।